ABOUT US

Our development agency is committed to providing you the best service.

OUR TEAM

The awesome people behind our brand ... and their life motto.

  • Kixbd

    Head Admin Chayan Molla

    I long for the raised voice, the howl of rage or love.

  • Shimul Islam

    Marketing CEO

    Contented with little, yet wishing for much more.

  • Chayan Molla

    Developer

    If anything is worth doing, it's worth overdoing.

OUR SKILLS

We pride ourselves with strong, flexible and top notch skills.

Marketing

Development 90%
Design 80%
Marketing 70%

Websites

Development 90%
Design 80%
Marketing 70%

PR

Development 90%
Design 80%
Marketing 70%

ACHIEVEMENTS

We help our clients integrate, analyze, and use their data to improve their business.

150

GREAT PROJECTS

300

HAPPY CLIENTS

650

COFFEES DRUNK

1700

FACEBOOK LIKES

STRATEGY & CREATIVITY

Phasellus iaculis dolor nec urna nullam. Vivamus mattis blandit porttitor nullam.

PORTFOLIO

We pride ourselves on bringing a fresh perspective and effective marketing to each project.

  • আপনি জানেন কি, সিপিইউ থেকে হ্যাক হতে পারে আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটার?

    আপনি জানেন কি, সিপিইউ থেকে হ্যাক হতে পারে আপনার সম্পূর্ণ কম্পিউটার?

    যদি আপনাকে বলি, আপনার কম্পিউটারের সাথে এমন একটি স্পেশাল চিপ লাগানো রয়েছে—যেটি আপনার কম্পিউটারের সকল হার্ডওয়্যারকে নিয়ন্ত্রন করার ক্ষমতা রাখে এবং রিমোট ভাবেও একে অ্যাক্সেস করা যায় এবং এটিকে ডিসেবল করার কোন উপায় নেই। কি শুনতে অদ্ভুত লাগছে? অদ্ভুত হলেও ব্যাপারটি সম্পূর্ণ সত্য এবং ভয়াবহও বটে। আজকের আর্টিকেলে এমন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো, যা হয়তো আপনি আগে কখনোই শোনেন নি।

    প্রসেসর রিস্ক?

    আজকের বেশিরভাগ কম্পিউটার গুলোর প্রাণ হিসেবে ব্যবহৃত হয় ইনটেল এবং এএমডির প্রসেসর গুলো। আপনি যদি ইনটেল প্রসেসরের কম্পিউটার ব্যবহার করে থাকেন তবে নিশ্চয় ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন নামটি শুনেছেন বা ড্রাইভার ইন্সটল করার সময় দেখেছেন। আবার আপনি এএমডি ইউজার হলে প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসর নামটি শুনে থাকবেন। কিন্তু আপনি জানেন কি গত দশ বছর ধরে যতোগুলো কম্পিউটার তৈরি হয়েছে এদের মধ্যে ইনটেল এবং এএমডির প্রসেসর দিয়ে চলা কম্পিউটারে এই দুই ধরনের চিপ লাগানো রয়েছে—আর এই চিপ গুলো সকল কম্পিউটারের ব্যাকডোর হিসেবে কাজ করে। যদিও ইনটেল এবং এমডি এটা প্রতিজ্ঞা করে, এই ব্যাকডোর শুধু তারা তাদের বৈধ কাজে ব্যবহার করে, তারপরেও কিছু কারণ রয়েছে যার জন্য আপনার দুশ্চিন্তা করা জায়েজ রয়েছে।

    ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন

    তো ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন মূলত কি জিনিস? এটি মূলত একটি ভিন্ন এবং সহযোগী প্রসেসর চিপ বলতে পারেন, যেটি ফিজিক্যালি প্রত্যেকটি ইনটেল চিপসেটের সাথে চিপকানো থাকে। সহজ ভাষায় বলতে গেলে, ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন আপনার মূল কম্পিউটারের মধ্যের আরেকটি কম্পিউটার বলতে পারেন। কিন্তু সবচাইতে ভয়াবহ ব্যাপার হলো, প্রায় আমরা কেউই জানিনা এটি কি কাজে ব্যবহৃত হয়। এটি মূলত ইনটেলের মালিকানাধীন কোডের উপর কাজ করে এবং ইনটেল এর সোর্স কোড কখনোই রিলিজ করে না। তবে অবশ্যই এতে বৈধ ফিচার রয়েছে যেগুলো ইনটেল তাদের সেবার মানকে উন্নয়ন করার জন্য ব্যবহার করে। চলুন নিচের লিস্ট থেকে জেনে নেওয়া যাক এই হার্ডওয়্যার কি কাজ গুলো করতে পারে;
    • এটি সরাসরি আপনার র‍্যামের উপর নিয়ন্ত্রন গ্রহন এবং র‍্যাম ব্যবহার করতে পারে, এবং র‍্যাম ব্যবহার করার জন্য মেইন সিপিইউ এর মোটেও সহযোগিতা গ্রহন করে না
    • এটি আপনার কম্পিউটারের সাথে কানেক্টেড থাকা সকল যন্ত্রানুষঙ্গ এর উপর নিয়ন্ত্রন নিতে পারে; মাউস, কীবোর্ড, হার্ডড্রাইভ, এক্সটার্নাল ড্রাইভ, ওয়েবক্যাম ইত্যাদি সবকিছু অপারেট করতে পারে
    • এটি আপনার কম্পিউটারের নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের সাথে কানেক্টেড হয়ে সহজেই যেকোনো নেটওয়ার্ক ট্র্যাফিক সেন্ড বা রিসিভ করার ক্ষমতা রাখে, তাছাড়া এটি ইন্টারনেট ফায়ারওয়ালকে আরামে বাইপাস করতেও সক্ষম
    • তাছাড়া এটি কম্পিউটারের সম্পূর্ণ অপারেটিং সিস্টেমকে বাইপাস করার ক্ষমতা রাখে, এমনকি কম্পিউটারে কোন অপারেটিং সিস্টেম না থাকলেও এটি কম্পিউটারকে অপারেট করার ক্ষমতা রাখে
    • এই প্রসেসর চিপের এতো ক্ষমতা থাকার পরেও এটি রিমোট ভাবে আপনার কম্পিউটার অন বা অফ করার ক্ষমতা রাখে, অর্থাৎ আপনার কম্পিউটার অফ থাকা অবস্থায়ও এটি অনেক কিছু করতে পারে
    এই চিপের ফিচার গুলো দেখে নিশ্চয় ভাবছেন, “আরে, ফাজলামু নাকি? এই চিপ এতো কিছু অ্যাক্সেস করেই বা কীসের জন্য আর এই চিপ কোম্পানি বানিয়েছেই বা কেন? আবার তার উপরে এই ফিচার গুলোকে আমি ডিসেবলও করতে পারবো না!” এই চিপটিকে আপনার কম্পিউটারের সাথে চিপকিয়ে দেওয়ার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে রিমোট ভাবে আপনার কম্পিউটারটি আপডেট বা রিপেয়ার করে দেওয়ার জন্য। আপনি ভালো করেই জানেন, ইনটেলের মতো দৈত্যাকার কোম্পানির কাছে কতোগুলো গ্রাহক থাকে, এখন এই কোটি গ্রাহকের সাপোর্ট সেবা দেওয়ার জন্য ইনটেল তো নিশ্চয় সবার বাড়ি বাড়ি যাবে না, তাই না? তাই এরা এরকম সিস্টেম আগে থেকেই সেটআপ করে রাখে যাতে একসাথে বাল্কভাবে সকল সিস্টেম গুলোতে আপডেট এবং রিপেয়ার করে দিতে পারে।
    এখন হয়তো বলবেন, “ঠিক আছে, ভালো ফিচার এবং অনেক ইউজার এ থেকে উপকৃতও হবে, কিন্তু এটা আমার পার্সোনাল কম্পিউটার আর আমার এই জিনিষের দরকার নেই, তাই ইনটেল এখন আমাকে বলো কীভাবে আমি এটাকে ডিসেবল করবো?” আর এখানেই আপনার জন্য দুঃসংবাদ, আপনি ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন চিপের কার্যক্রমকে ডিসেবল করতে পারবেন না এবং এমন কোন ইনটেল প্রসেসর বাজারে কিনতেও পাবেন না, যেখানে আগে থেকে এই চিপ লাগানো নেই। এমনকি আপনি যদি ইনটেল বাদ দিয়ে এএমডি প্রসেসর ব্যবহার করার চিন্তা করেন তারপরেও এটিকে স্কীপ করতে পারবেন না। কেনোনা আগেই উল্লেখ্য করেছি, এএমডি প্রসেসরেও তাদের এই ধরনের চিপ লাগানো রয়েছে, যার নাম প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসর বা পিএসপি। আর ইনটেল ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিনের মতো এটিও আপনার কম্পিউটারের সকল কিছু ম্যানেজ করার ক্ষমতা রাখে এবং আমাদের কোন ধারণায় নেই এটি কোন কোডের উপর কাজ করে।

    সেলফোনে?

    “তো ঠিক আছে ভাই, বুঝলাম! আমার কম্পিউটারে এক সিক্রেট ব্যাকডোর রয়েছে আর আমি সেটাকে ডিসেবলও করতে পারবো না, কিন্তু আমার সেলফোনতো এই ব্যাপার থেকে নিরাপদ তাই না? কেনোনা সেলফোনে তো ইনটেল বা এএমডির প্রসেসর লাগানো থাকে না! তো এই দিক থেকে অন্তত নিরাপদ, নাকি?” জী না, ভুল কথা! আপনি কখনোও কি বেসব্যান্ড প্রসেসরেরসম্পর্কে শুনেছেন? অবশ্যই শোনেন নি, কিন্তু প্রত্যেকটি সেলফোনে এই প্রসেসর লাগানো থাকে, এটি মূলত ফোনের এন্টেনা থেকে রেডিও সিগন্যাল এবং ডিজিটাল সিগন্যালকে কনভার্ট করে। তো অবশ্যই আপনার ফোনটি প্রোপারভাবে কাজ করার জন্য এই চিপ থাকার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে এবং অবশ্যই হ্যাঁ, এই চিপ আপনার ফোনের সকল ডাটার উপর নিয়ন্ত্রন রাখার লো লেভেল অ্যাক্সেস রয়েছে। আরেকটি কথা জেনে রাখা ভালো, ইনটেলের ম্যানেজমেন্ট ইঞ্জিন এবং এএমডির প্লাটফর্ম সিকিউরিটি প্রসেসরের মতো বেসব্যান্ড প্রসেসরের কোডিও মালিকানাধীন। অর্থাৎ যে প্রস্তুতকারী কোম্পানি আপনার ফোনটি বানিয়েছে তার নিজের কোড দ্বারা এই প্রসেসরকে লাগিয়ে থাকে, যেটা এমনিতে কেউ অ্যাক্সেস করতে পারবে না, কিন্তু প্রসেসরটি নিজে সবকিছু অ্যাক্সেস করার ক্ষমতা রাখে।

    পয়েন্ট?

    “সবই বুঝলাম ভাই, ব্যাট এতক্ষণের আলোচনার পয়েন্ট কি? ইনটেল আর এএমডি তো আমাদের পিসি হ্যাক করবে না, তাই না? আবার কোডটিতে নিশ্চয় বিশাল এনক্রিপশন লাগানো রয়েছে, তাহলে এই আলোচনার ফলাফল কি?” —হ্যাঁ ভাই, অবশ্যই ইনটেল বা এএমডি এই সিক্রেট ব্যাকডোর ব্যবহার করে আপনার কম্পিউটারের উপর নজর রাখা বা একে হ্যাক করবে না। কিন্তু এখানে শুধু ইনটেল বা এএমডি একাই ভয়ের কারণ নয়। এখানে ভয়ের ব্যাপার হলো এই চিপ যদি কোন হ্যাকার গ্রুপ ক্র্যা**ক করে ফেলে অথবা কোন গভর্নমেন্ট যদি এর অ্যাক্সেস নেওয়ার চেষ্টা করে তবে সেটা নিঃসন্দেহে ভয়াবহ হতে পারে। হ্যাঁ, এই চিপে অনেক হার্ডকোর এনক্রিপশন লাগানো রয়েছে, কিন্তু আমি আগেই বলেছি কোন এনক্রিপশনই আপনাকে ১০০% নিরাপত্তা দিতে পারবে না। ক্র্যা**ক করতে অনেক কঠিন বা কষ্ট সাধ্য হলেও এমনটা কিন্তু নয় যে, সেটা ক্র্যা**ক করায় যাবে না।
    হতে পারে কোন হ্যাকার এই চিপের অত্যন্ত চালাকির সাথে কোন দুর্বলতা খুঁজে বেড় করে ফেলবে, আর এটি যদি সম্ভব হয় তবে সে এই পৃথিবীর প্রায় যেকোনো কম্পিউটারের উপর নিজের নিয়ন্ত্রন নিয়ে ফেলতে পারবে যেগুলো ইনটেল বা এএমডির প্রসেসরে রান করে। আর যেহেতু এই চিপ কম্পিউটারের মেইন প্রসেসরকে বাইপাস করে কাজ করে, তাই আপনার পিসিকে হ্যাক অ্যাটাক থেকে বাঁচানো প্রায় অসম্ভব নয় বরং সম্পূর্ণ অসম্ভব। যেহেতু এই চিপ সরাসরি পিসির নেটওয়ার্ক ইন্টারফেসের সাথে কানেক্টেড হয়ে কাজ করতে পারে এবং ট্র্যাফিক রিসিভ এবং সেন্ড করতে পারে তাই হ্যাকার সহজেই আপনার কম্পিউটারে যেকোনো ম্যালওয়্যার ইনজেক্ট করিয়ে দিতে পারে। ম্যালওয়্যারটিকে যদি অপারেটিং সিস্টেম ফায়ারওয়াল ব্লক করে দেয় তবে এই চিপ সেই ব্লককে সহজেই বাইপাস করে নিতে পারে।
    যদিও এই চিপ এবং এই চিপের কোড ক্র্যা**ক হওয়া প্রচণ্ড কঠিন ব্যাপার তার পরেও অসম্ভব কিছু নয়। আমরা ১% হলেও এমন অজানা কোন হ্যাক অ্যাটাকের সম্ভবনায় রয়েছি। এখানে আরেকটি কথা চিন্তা করার মতো, দেখুন এই চিপের কোড কিন্তু মালিকানাধীন, যদি ওপেন সোর্স কোড হতো হবে সবাই এর কোড পড়তে পারতো এবং যদি এতে কোন ত্রুটি থাকে তবে হয়তো কোন ভালো আইটি স্পেশালিষ্ট কোম্পানিকে জানিয়ে দিতে পারতো, সেই ত্রুটিকে কোন ব্ল্যাকহ্যাট হ্যাকার ডিটেক্ট করার পূর্বে। কিন্তু যেহেতু এটির কোড কেউ জানেনা এবং এটি একটি ক্লোজড কোড তাই ভালো মানুষ এর ত্রুটি খোঁজার আগে খারাপ ব্যক্তিই আগে ত্রুটি খোঁজার চেষ্টা করবে, আর কোন ক্রমে সে সফল হয়ে গেলে নিশ্চয় সে আর সেটা কোম্পানিকে শেয়ার করবে না।

    শেষ কথা

    হ্যাক হওয়ার সম্ভবনা যতোই অল্প হোক না কেন, তবে এই ধরনের হ্যাক অ্যাটাক যে ঘটতে পারে এই ব্যাপারে আন্দাজ করা যায়। যদি প্রসেসর থেকে হ্যাক অ্যাটাক হয়েই যায়, সেক্ষেত্রে আমরা কি করতে পারবো? কিছুই না! একেবারেই কিছু করতে পারবো না। এটা একদমই ব্যাপার না আপনি কোন অপারেটিং সিস্টেম ব্যবহার করছেন কিংবা কতো শক্তিশালী পাসওয়ার্ড ব্যবহার করছেন। আসলে অনেক সময় অনেক স্ট্রং পাসওয়ার্ডও আপনাকে নিরাপত্তা দিতে পারে না। ধরুন আপনি ৫০ অক্ষরের পাসওয়ার্ড সেট করে রেখেছেন, কিন্তু কেউ আপনার মাথায় বন্দুক ধরে পাসওয়ার্ড জিজ্ঞাসা করলে নিমিষেই বকে দেবেন!

    তো এই ছিল আজকের আর্টিকেলে।

  • এবার হ্যাক করুন আপনার GF/বন্ধু/ সকলের মোবাইল না দেখলে পুরাই মিস।

    এবার HACK করুন আপনার GF/বন্ধু/ সকলের মোবাইল না দেখলে পুরাই মিস


    আজ আমি দেখাবো কেমনে আপনি আরেকটি Android hack করবেন।
    আপনার যা লাগবে…
    +++++++++++++++++
    Dowonload করুন এখন থেকে
    (কাজের ধারা)
    আপনি Software টি যে ফোন hack. করবেন সেটাতে ইন্টল করে দেন।
    নিচের মতো অনুসরন করেন.
    1=
    2=
    আপনার মেইল টা বসান এখানে
    3=
    4= 
    এবার মেইল টা চেক করুন
    likn ক্লিক করুন।
    5=
    6=
    এবার দেখুন মজা…
    সব কিছু কল রেকর্ড / স্কিনশর্ট / এস এম এস।
    সব কিছু
    দয়াকরে খারাপ কাজে ব্যবহার করবে না
  • ফ্রিল্যান্সিং করতে চান তাহলে এই টিউন টি পড়ুন ১০০% গ্যারান্টি আপনি সফল হবেন

    শুরুতে আমার সালাম নিবেন। আশা করি আমার প্রিয় ভাই ও বোনেরা সকলে ভালো আছেন। আজ আপনাদের জন্য আমার কিছু জানা কথা লিখবো হয়তো এটা আপনাদের মধ্যে অনেকে জানতে পারেন। সকলেতো আর জানেন না। আর দয়া করে কেউ গালি দিবেন না । ধন্যবাদ।

    কয়েকটি ছোট খাট প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আমার এই টিউন। যে কয়েকটি প্রশ্ন ফ্রীল্যান্সিং শুরুর আগে যে কারো মনে উদয় হয়। দেখি আমি কি কি বিষয় লিখতে পারি এখানে। তবে একটি লিস্ট করে ফেলি তার আগে। সত্যি বলতে কি, আমি আমার ফ্রীল্যান্সিং নিয়ে দুটি টিউন করার পর এ প্রশ্ন গুলোর সম্মুক্ষীন হয়েছি। তার থেকে চিন্তা আসল সব গুলো প্রশ্ন এক করে একটা টিউন করার, যেন যারা আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারে না তারাও উপকৃত হয়। তার পর একটা একটা করে বিস্তারিত বলার চেষ্টা করবঃ
    • ফ্রিল্যান্সিং কেন করব।
    • ফ্রিল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায়?
    • আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?
    • ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমার কোন আইডিয়া নেই। আমি কি করব?
    • আমার কি কি শিখা উচিত?
    • আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?
    • আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং শুরু করব।
    • আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।
    • আমি কাজ পারি, বিড করে যাচ্ছি কিন্তু কাজ পাচ্ছি না।
    • কভার লেটার লেখার নিয়ম
    • টাকা কিভাবে পাবো?

    ফ্রিল্যান্সিং কি এবং কেন করব।

    আপনার যদি স্বাধীনতা পছন্দ হয়, নিজ বাসায় বা যে কোন স্থান থেকে কাজ করতে ভালো লাগে, তাহলে ফ্রিল্যান্সিং করতে পারেন। ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে কেন করবে, তা নিয়ে বিস্তারিত একটি লেখা লিখেছি। চাকরি করা ছাড়াও সুন্দর আয় করা, স্বাধীন জীবন এবং অন্যান্য।    ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে অনেক কিছুই জানতে পারবেন। নিচের লেখা দুটিও পড়তে পারেন।
    • পূরন করুন স্বপ্ন গুলো – ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং
    • পূরন হওয়া স্বপ্ন গুলো – ফ্রিল্যান্স আউটসোর্সিং

     এবার লিখব ফ্রীল্যান্সিং সাইট গুলোতে কি কি কাজ করা যায় তা নিয়ে।

    একদম সহজ থেকে শুরু করি, আপনি যা জানেন তা দিয়েই কাজ শুরু করতে পারবেন। লেখা লেখি, ডেটা এন্ট্রি, প্রোগ্রামিং, মার্কেটিং, টাইপিং, ডিজাইনিং, ইমেজ এডিটিং, প্রেজেন্টেশন তৈরি, ডেভেলপমেন্ট, ভার্চুলাল এসিস্ট্যান্ট সহ অনেক কিছু।  নিচে আপওয়ার্কে  কি কি জব পাওয়া যায় তার একটা স্কিনসর্ট। ছবির উপর ক্লিক করলে বড় করে দেখা যাবে।

    এগুলো দেখে একটা ধারনা নেওয়া যাবে অনলাইনে কি কি কাজ পাওয়া যায়, কি ধরনের কাজ পাওয়া যায়। আপনি যদি উপরের যে কোন একটি কাজও পারেন, তাহলে আপনি অনলাইনে কাজ করতে পারবেন। যদিও এ গুলো ছাড়াও আরো অনেক ধরনের কাজ অনলাইনে রয়েছে। আপনাকে তা খুজে নিতে হবে। আপনি যদি এ কাজ গুলোর একটিও ভালো মত না পারেন, তাহলে আপনার কাছে যে বিষয়টা  ভালো লাগে এমন একটা কাজ শিখে নিতে পারেন। তারপর আপনি কাজ শুরু করতে পারেন। কাজ শিখে নিতে বেশি সময় লাগবে না। ভয় পেলে বা শুরু না করলে কিভাবে শিখবেন? আজকের দিনটি  আপনার প্রিয় বিষয়টি শেখা শুরু করার জন্য কি একটি ভালো দিন নয়?

    আমি কোন কাজ পারি না, আমি কিভাবে ফ্রীল্যান্সিং করব?

    কোন কাজ না জানলে শিখে নিন। যে কোন কিছুই শিখতে পারেন। বা উপরের স্কিনশর্ট থেকে দেখে যে সব বিষয় ভালো লাগে, সে গুলো নিয়ে পড়ালেখা করতে পারেন। এ লেখাটি দেখতে পারেনঃ
    • ইন্টারনেট ব্যবহার করে সহজেই নিজের পছন্দের বিষয় গুলো শিখে নিবেন যেভাবে।
    একটা কথা কি, মানুষ যা নিয়ে ঘটাঘাটি করে সে দিকেই এক্সপার্ট হয়। কেউ প্রথম দিন ই সফল হয় না। আপনি যদি আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং শুরু করেন তাহলে আজই না হোক কাল বা এক মাস পর অথবা এক বছর পর এক জন সফল ফ্রিল্যান্সার হতে পারবেন। আর আপনি যদি ফ্রিল্যান্সিং করতে গিয়ে ধোঁকা খান তাহলে আগামি কাল আপনি ঐসব দিক এড়িয়ে ভালো দিকে যেতে পারবেন। আপনি যদি প্রথাগত চাকরি করতে না চান, তাহলে আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে জানা শুরু করুন। এখানে কাজের অভাব নেই। বিষয়ের ও অভাব নেই। আপনি সহযেই আপনার পছন্দের বিষয় নির্বাচন করে সামনে এগুতে পারবেন। অথবা একটা বিষয় নির্বাচন করলেন। তার পর দেখলেন আপনার ভালো লাগে না, আপনি সহজেই অন্য বিষয়ে পরিবর্তন করতে পারবেন। তবে একটা বিষয় কে নির্বাচিত করে সামনে এগুলে ভালো। একটা বিষয় নিয়ে যে যত ঘাটবে সে তত ঐ বিষয় নিয়ে দক্ষ হতে পারবে। সংক্ষেপে বলতে গেলে, আপনি যদি গ্রাফিক্সের কাজ জেনে থাকেন তাহলে চেষ্টা করবেন সব সময় গ্রাফিক্স রিলেটেড কাজ করার জন্য। দক্ষ মানুষের স্থান সব সময়েই উপরের দিকে, এবার তা যে বিষয়েই হোক না কেন। আবার কিছু কিছু ক্ষেত্রে এক জন ফ্রিল্যান্সারকে এক সাথে অনেক কিছুর কাজ করতে হয়। সাজতে হয় ওয়ান ম্যান আর্মি। যাই করুন না কেন, আপনার লক্ষ্য কিন্তু স্থির রাখতে হবে।

    আমার কি কি শিখা উচিত?

    আগে যে কোন একটা বিষয়ে দক্ষ হতে হবে। এরপর? এরপর অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলতে একটু সময় দিতে হবে। ঘাটাঘাটি করতে হবে। যারা অনেক দিন থেকে কাজ করে, তাদের প্রোফাইল দেখতে হবে। তাদের প্রোফাইল দেকে তাদের প্রোফাইলের মত নিজের প্রোফাইল সাজাতে হবে। এবং ইংরেজীতে একটু দক্ষ হতে হবে। এমন না যে ফ্লুয়েন্টলি আপনাকে কথা বলতে হবে বা লিখতে হবে। অন্তত একটি জব টিউন পড়ে কি কি করতে বলছে, কি কি করতে হবে এবং ক্লায়েন্টের সাথে কথা বলার মত ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে।

    আমি কোন সাইটে কাজ করা শুরু করব?

    আপনি যদি কিছু কাজ জানেন, তাহলে নিচের যেকোন একটি ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে একাউন্ট খুলুন। একাউন্ট খুলে ঐ মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে আগে ভালো করে জানুন। প্রত্যেকটা মার্কেটপ্লেস এ নিজের প্রোফাইল সাজাতে হয়। প্রোফাইলে নিজে কি কি কাজ পারি তা যুক্ত করতে হয়। নিজে যেটা পারি, সেটা সত্যি পারি কিনা, তা জন্য অনলাইন পরীক্ষা দিতে হয়। এসব করতে পারলে বুঝতে পারবেন আপনি কাজ করার জন্য উপযুক্ত। এরপর কাজ পাওয়ার জন্য, কাজ করার জন্য বিড করতে থাকুন। যে কাজটি পারবেন বলে মনে হয় তাতে বিড করুন। ক্লায়েন্টকে সুন্দর একটা মেসেজ দিন। কাজ পেতে বেশি সময় লাগবে না। আমি এখানে কিছু মার্কেটপ্লেসের লিঙ্ক দিচ্ছি। এর বাহিরে আরো অনেক গুলো মার্কেটপ্লেস রয়েছে।

    আমি মোটামুটি কাজ পারি, কিন্তু কি করব বুঝতে পারছি না।।

    কাজের জন্য বিড করুন, নিয়মিত করবেন। যে কাজটা আপনি পারবেন বলে আপনি কনফিডেন্ট। যদি না পারেন, তাহলে বিড করার পূর্বে আগে গুগলে সার্চ করে ঐ কাজটি সম্পর্কে আইডিয়া নিন। আপনি শিখে নিতে পারেন। এভাবে শিখতে শিখতে এক্সপার্ট হয়ে যেতে পারবেন। সুন্দর করে যদি আপনি জবের জন্য এপ্লিকেশন করার সময় মেসেজ দিয়ে থাকেন, কেন আপনি কাজটা করতে চান, কিভাবে আপনি কাজটা সম্পুর্ণ করবেন, তা বুঝিয়ে দিলে একটা না একটা এপলিকেশনের রিপ্লাই পাবেনই। আর রিপ্লাতে সাধারনত জিজ্ঞেস করা হয় কখন কাজটি আপনি শুরু করতে পারবেন, কত দিন সময় লাগবে ইত্যাদি। এগুলো সুন্দর মত বুঝিয়ে দিলে ক্লায়েন্ট আপনাকে কাজ দিবে।

    কভার লেটার লেখার নিয়ম

    আপনি যদি নিয়মিত বিড করে থাকেন, তারপর ও কোন কাজ না পান তাহলে আপনার কভার লেটার টা একটু অন্যরকম ভাবে লেখার চেষ্টা করুন। ক্লায়নেটের জাগায় আপনাকে চিন্তা করুন। কিভাবে একজন এপ্লাই করলে আপনি তাকে হারায় করতেন। আশাকরি কাজ হবে।   সবাই চায় অভিজ্ঞতা। আপনার কভার লেটারে আপনি নিজে শেখার সময় যে কাজ গুলো করেছেন, সেগুলো দিতে পারেন।
    কভার লেখার নিয়ম বলতে আসলে কিছু না। বিশাল একটা মেসেজের থেকে সিম্পল, সরাসরি কাজের কথা দিয়ে কভার লেটার লিখলে সহজেই ক্লায়েন্টের আকর্ষন পাওয়া যায়। জব টিউনটি পড়বেন, এরপর ক্লায়েন্ট কি কোন প্রশ্ন করেছে কিনা, সে গুলো কভার লেটারে উল্ল্যেখ করবেন। আপনার কোন প্রশ্ন আছে কিনা, সে প্রশ্ন করবেন। আপনি কিভাবে কাজটি সম্পুর্ণ করবেন তা লিখবেন। কেন আপনি জবটি কমপ্লিট করতে পারবেন, তা লিখবেন। এভাবেই পারফেক্ট কভার লেটার লিখে ফেলতে পারবেন।। অন্য কাউকে ফলো না করে নিজের মনের থেকে যেটা লিখতে ইচ্ছে করবে তাই লিখবেন কভার লেটারে।
    কাজ না করলে অভিজ্ঞতা কিভাবে হবে তাই না? যদি প্রথমে কেউই কাজ দিতে না চায়, তাহলে ফ্রী কাজ করার চেষ্টা করুন। নিচের লেখাটা দয়া করে পড়ুন।
    • ফ্রিল্যান্সিং করতে চান? তাহলে ফ্রী কিছু কাজ করুন!!

     

    টাকা কিভাবে পাবো?

    আশা করি আপনি কাজ পাবেন। যদি কাজ না পান, তাহলে হতাশ হবে না। নতুন কিছু শেখার চেষ্টা করুন নিয়মিত। কাজ পান নাই বলে বসে থাকার কোন মানে হয় না। আর কাজ পেলে কাজ কমপ্লিট করার পর আপনার একাউন্টে টাকা জমা হবে। সেখান থেকে আপনি ব্যাঙ্কে ট্রন্সফার করতে পারবেন।  ওডেস্ক, ইল্যান্স ইত্যাদি ব্যাঙ্ক সাফোর্ট করে। অন্যান্য মার্কেটপ্লেস থেকে আপনি মানিবুকার্স বা এমন কোন সিস্টেমে টাকা আনতে পারবেন। টাকা রুজি করলে দেখবেন হাতে আসার অনেক গুলো পথ পেয়ে যাবেন। কিভাবে টাকা হাতে পাবেন, সে চিন্তা আপাতত না করলেও হবে। সবার আগে কিভাবে একটি জব কমপ্লিট করতে পারবেন, তা নিয়ে কাজ করতে থাকুন। কাজ কমপ্লিট করার পর টাকা ক্লায়েন্ট রিলিজ দেওয়ার পর আপনার মার্কেটপ্লেসের একাউণ্টে জমা হবে। এবং ঐখান থেকে সহজেই অনেক গুলো পথে আপনার নিজের হাতে টাকা নিয়ে আসতে পারবেন। পেপাল নেই, বা আপনার কার্ড নেই, এসব নিয়ে এখন চিন্তা না করলে হবে। এবং এসব নেই বলে কাজ করা বন্ধ করার কোন মানে হয় না।
    টাকা হাতে আনার জন্য আপনি মাস্টারকার্ডও ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে কার্ড দিবে। আপনি আপওয়ার্ক বা ফ্রিল্যান্সার  থেকে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন। এবং বাংলাদেশের যে কোন এটিএম বুথ থেকে টাকা তুলতে পারবেন। কার্ডের জন্য ফ্রী আবেদন করার জন্য পেওনিয়ারের সাইটে গিয়ে সাইন আপ করুন। নাম, ঠিকানা, ইমেইল, ইত্যাদি দেওয়ার সম একটু নির্ভুল ভাবে দেওয়ার চেষ্টা করুন। এর পর আপনার ঠিকানায় কার্ড চলে আসবে। ফ্রি কার্ড। পরে যে কোন সময় কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করে একটিভ করতে পারবেন। আর একটিভ করার পর আপনি যে কোন মার্কেটপ্লেসে কার্ড যুক্ত করে কার্ডে টাকা ট্রান্সফার করতে পারবেন।

    টাকা কি সত্যিই পাবো?

    জ্বি, যে কোন কাজ সম্পুর্ণ করলে সত্যিই টাকা পাবেন।
    দোয়া করি আপনার ফ্রীল্যান্সিং জীবন অনেক সুন্দর হোক।
    আমার পেজ এ কিভাবে Outsourcing করতে হয় তা শিখাই তাই সকল কে আমার পেজ এ লাইক দেয়ার অনুরোধ করছি । Learning Outsourcing & Web Development Center
    01910434379
  • আপনার ওয়েব সাইট তৈরী করুন এখনি সবচাইতে কম খরচে

    প্রথমে kixbd এর পক্ষ থেকে সবাইকে সালাম ও শুভেচ্ছা। আশা করি সবাই  ভাল আছেন। আপনি কি ওয়েবসাইট তৈরীর কথা ভাবছেন ? বাজেট কম ? কোন সমস্যা নেই আমরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে খুব কম খরচে ওয়েব সাইট ডিজাইন ও ডেভেলপ করে থাকি, যেকোন ধরেনর ওয়েব সাইট যেমন: ব্যত্তিগত,ব্যবসায়িক,ই-কমার্স,গার্মেন্টস,বায়িং হাউস,টেক্সটাইল মিলস,ট্রাভেল কোম্পানি, মিউজিক এবং সকল ধরনের সরকারী প্রতিষ্ঠানের ওয়েব পেজ ডিজাইন ও ডেভেলপ করে থাকি।






    গ্রাহকের প্রয়োজেনে ওয়েব সাইট রিলেটেড সকল সুবিধা দিয়ে থাকি, আমাদের কাছ থেকে অনেক মানুষ নানা ধরনের  ওয়েবসাইট তৈরী করছে। এবং এই সাইটগুলো রেসপন্সিভ বিধায় আপনি মোবাইল দ্বারাও চালাতে পারবেন। আমরা অত্যন্ত দক্ষতার সাথে কাজ করে থাকি এবং আমাদের গ্রাহকদের জন্য আমরা সিনিয়র SEO Expert দিয়ে SEO এর কাজ করিয়ে থাকি।

    আপনার পছন্দমতো  কাজ না করা হলে আপনার টাকা ফেরত দেয়া হবেঃ



    আমরা আপনারদের সুবিধার্থে ওয়েব সাইট তৈরির আনুষঙ্গিক খরচ এর জন্য ১৫০০ টাকা আগ্রিম নেই এবং সম্পূর্ণ ডিজাইন এর কাজ শেষ করে ফুল টাকা নিয়ে C-panel দিয়ে থাকি ।

    বিঃদ্রঃ ১ বছর ফ্রি সমর্থন দিয়ে থাকি !!

     আমাদের থেকে যা সুবিধা পাবেনঃ




    • 1. যেকোন ধরণের সাইট থেকে টাকা আয় করতে পারবেন।
    • 2. আমাদের থেকে ওয়েব-সাইট নিলে সম্পুর্ন কাজ মোবাইল দিয়ে করতে পারবেন।
    • 3. আমাদের তৈরী সাইট থেকে আপনি আপনার পছন্দের গান ছবি ফাইল গেম ইত্যাদি পছন্দের File রাখতে পারবেন এবং এই সাইট থেকে সবাই Download করতে পারবে।
    • 4. আমরা নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ওয়েব ডিজাইন করে দিয়ে থাকি।
    • 5. আপনি আরও কত গুলো সাইটে কম দামে সাইট ডিজাইনিং এর বিজ্ঞাপন দেখবেন। কিন্তু তারা আপনাকে যেভাবে স্বাগতম করবে সেভাবে আপনাকে বিদায় দেবে না। কিন্তু আমরা এটি সমর্থন করি না।
    • 6. বেশিরভাগই ডিজাইনার হয়ত আপনার মনের মত সাইট তৈরি করতে পারবে না অথবা টাকা নিয়ে সাইট বানিয়ে দেবে না আপনাকে ধোকা দেবে। কিন্তু এখানে তা হবে না। মনে রাখবেন আমি এখানে সাইট ডিজাইনিং এর ব্যবসা করতেই এসেছি।
     *আমাদের ওয়েবসাইট সেবা সমুহঃ
    ---------------------------------------------
    → স্কুলের ওয়েবসাইট।
    → ফ্যাশান হাউসের ওয়েবসাইট।
    → ম্যাগাজিন ওয়েবসাইট।
    → সংবাদপত্রের ওয়েবসাইট।
    → মডেল এজেন্সি / ফটোগ্রাফার গ্যালারী।
    → ভেহিকেল / কার শো-রুম ওয়েবসাইট।
    → রিয়েল-এস্টেট ওয়েবসাইট উইথ প্রোপার্টি লিস্টিং।
    → রেস্টুরেন্ট ওয়েবসাইট উইথ ফুড অর্ডার সিস্টেম।
    → গার্মেন্টসের ওয়েবসাইট।
    → ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট।
    → ট্র্যাভেল অ্যান্ড ট্যুরিজ্‌ম ওয়েবসাইট।
    → ক্লিনিক এবং হসপিটালের ওয়েবসাইট।
    → বিউটি পার্লার এবং জিমের ওয়েবসাইট।
    → ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট এর ওয়েবসাইট।
    → বাক্তিগত ওয়েবসাইট।
    → অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট।
    ---------------------------------------------
    *আমাদের অন্যান্য সেবা সমুহঃ
    ---------------------------------------------
    √ ওয়েবসাইট ডেভেলপমেন্ট এবং ডিজাইন।
    √ SEO (Search Engine Optimization)
    √ ডোমেইন নেম রেজিস্ট্রেশন।
    √ হোস্টিং।
    √ ইমেইল মার্কেটিং। 
    √ SMS মার্কেটিং। 
    √ ফেসবুক বিজ্ঞাপন।

    ওয়েব সাইটের প্রয়োজনীয় সকল সাপোর্ট ও পাবেন আপনি আমাদের কাছেই

    আপনি কি অনলাইন এ অতিরিক্ত অর্থ উপার্জন করতে চান?
    আপনি ওয়েবসাইট না তৈরি করলে, আপনার অনেক পরিচিত মানুষ আছে যারা ওয়েবসাইট তৈরি করবে তাদের সাথে আমাদের যোগাযোগ করালে, ১০% পাচ্ছেন আপনি  ।


    পেমেন্ট

    “অনলাইন ও অফলাইন” এ দুই উপায়ে আমরা পেমেন্ট গ্রহণ করি।
    ➡ বিকাশ 01910434379
    ➡ পেপাল chayanmolla555@gmail.com
    ➡ পেজা chayanmolla555@gmail.com
    ➡বিট কয়েন 
    ➡ পেজা 

    যোগাযোগ ব্যবস্থা

    • হটলাইন 01777889680
    • স্কাইপ: chayanmolla
    • ওয়েবঃ 





  • ধ্বংসাত্মক একটি ভাইরাস তৈরী করে, যেকোন পিসি কে অভ্যন্তরীন ভাবে বিপর্যস্ত করে তোলার পিসি ট্রিকস্‌।

    আজকে, আপনাদের কে এমন এক ধ্বংসাত্মক ভাইরাস তৈরী করার, ট্রিকস্‌ শেখাব যার সাহায্যে আপনি যেকোন পিসি কে, অভ্যন্তরীন ভাবে সম্পূর্ণ বিপর্যস্ত করে দিয়ে পঙ্গু করে তুলতে পারবেন। তবে দয়া করে এই ট্রিকস্‌ টির সাহায্যে কারোর ক্ষতি করবেন না। আপনার যদি কারোর কোন ক্ষতি করার মনোভাব থাকে তবে, এই টিউন থেকে দূরে থাকুন। কারণ এই ট্রিকস্‌ টি, যেকোন পিসির পক্ষে সত্যই খুব ক্ষতিকর।
    এই ভাইরাস তৈরী করার ট্রিকস্‌ টি আপনাদের শেখাচ্ছি তার কারণ হলো আপনি ভবিষ্যতে যাতে এই ধরনের বিপদে না পড়েন। চলুন শুরু করা যাক।
    স্টেপ ১ - আপনি প্রথমে আপনার পিসি থেকে নোটপ্যাড  চালু করুন।
    স্টেপ ২ - নোটপ্যাডে এই কোডটি লিখুন। কোড - (%0|%0)
    স্টেপ ৩ - এরপর সেভ অপশনে গিয়ে, ফাইলের নাম Virus.bat লিখে সেভ করুন।
    স্টেপ ৪ – ব্যাস তৈরী হয়ে গেলো আপনার ধ্বংসাত্মক ভাইরাস।
    এই বার এই ফাইলের উপর ডবল ক্লিক করলেই গোটা পিসি হ্যাং হয়ে যাবে। কি বোর্ড এর কোন কী, বা মাউস কাজ করবে না। এক কথায় পিসি অভ্যন্তরীন ভাবে সম্পূর্ণ, বিপর্যস্ত হয়ে পড়বে এই অবস্থাকে পিসির পঙ্গুত্বও বলতে পারেন। যে ব্যক্তি তার পিসি তে একবার আপনার তৈরী করা Virus.bat ফাইলটি ভুল করেও ডবল ক্লিক করে খুলে ফেলবে তার আর দুর্দশার সীমা পরিসীমা থাকবেনা। আরও দুঃখের কথা হলো, যে পিসি তে এই Virus.bat ফাইল টি খোলা হলে সেই পিসির সিপিউ-এর বটন ও আর কাজ করবে না।
    আর একটি গুরুত্বপূর্ণ কথা হলো যে এই ভাইরাসটিকে ডিটেক্ট করবে এমন কোন অ্যান্টিভাইরাস এখনো তৈরী হয়নি। আশা করি, আপনি এই টিউনটি পড়ার পর এই ভাইরাস যে কিরকম ধ্বংসাত্মক এবং মারাত্মক তা আপনি বুঝতে পেরেছেন। ভুল করেও নিজের পিসি তে ভাইরাসটি ওপেন করবেন না তাহলে, কিন্তু আপনারও দুর্দশার সীমা পরিসীমা থাকবেনা।
  • স্মার্ট ফোন সম্পর্কে কিছু কথা

    স্মার্টফোন হল এমন একটি বহনযোগ্য ফোন বা পারসোনাল কম্পিউটার যা মোবাইল অপারেটিং সিস্টেম দিয়ে চলে যেমন IOS, Android ইত্যাদি। স্মার্টফোন সাধারনত পকেট সাইজের হয় যাতে তা সহজে বহনযোগ্য হয়।
    স্মার্টফোন থেকে একটু বড় আকারের ডিভাইস ও রয়েছে যা ট্যাবলেট নামে পরিচিত। স্মার্টফোন এর সামনের অংশ ৭০% হতে ৭৬% অংশ জুড়েই কালার ডিসপ্লে সমৃদ্ধ হয় যাতে টাচ স্ক্রীন ইন্টারফেস ব্যবহার করা হয় যাতে সব ধরনের অপারেশন স্ক্রীন এ টাচ দ্বারা করা যায়, যেমন ভার্চুয়াল কীবোর্ড দ্বারা লেখার কাজ এবং অ্যাপ্লিকেশান আইকন টাচ করে প্রোগ্রাম রান করান ইত্যাদি।

    ইতিহাসঃ

    ফোন এবং কম্পিউটিং সিস্টেম একসাথে করার কনসেপ্ট প্রথম উদ্ভাবন করেন নোকিয়া তেস্লা ১৯০৯ সালে এবং ১৯৭১ এ থিওডর পারাস্কেভাকস। এরপর ১৯৭৪ সালে এর পেটেন্ট এবং ১৯৯৩ সালে এর বাজারজাত করন করা হয়। ১৯৯৯ সালে জাপানি কম্পানি NTT Docomo প্রথম তাদের স্মার্টফোন রিলিজ করে যার ডাটা ট্রান্সমিশন স্পীড ছিল ৯.৬ কিলবিত/সে এবং যা ছিল ছোট একটি স্ক্রীন সমৃদ্ধ। 

    অপারেটিং সিস্টেমঃ

    অপারেটিং সিস্টেম এর মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় ছিল Symbian। ২০০৬ সালের দিকে NOKIA symbian device বাজারে আনে এবং এর সাথে সাথে Windows এবং blackberry ডিভাইস ও বাজারে আসে। ২০০৭ এর দিকে APPLE তাদের প্রথম বড় স্ক্রীন এর স্মার্টফোন বাজারে আনে যা ছিল আকর্ষণীয় এবং প্রথম মাল্টিটাচ ইন্টারফেস সমৃদ্ধ। ২০০৮ এ প্রথম Android  OS সমৃদ্ধ ফোন বাজারে আনে HTC Dream যা ওপেন সোর্স প্লাটফরম। এই Android  OS তৈরি করেন Andy Rubin যা পরে GOOGLE এর আওতাই আসে যা এখন জনপ্রিয়। বর্তমানে স্মার্টফোন অপারেটিং সিস্টেম হিসেবে Android, IOS, Windows 10 ইত্যাদি রয়েছে। অন্যদিকে Blackberry OS, Windows, Firefox, Bada, Web OS, Palm, Ubuntu touch ইত্যাদি অপারেটিং সিস্টেম বন্ধ হয়ে গেছে।
    YearAndroid (Google)iOS (Apple)Windows Mobile/Phone (Microsoft)BlackBerry (formerly RIM)Symbian (Nokia)Palm/WebOS (Palm/HP)Bada (Samsung)OtherTotal
    2007[118]3.314.711.7777.681.76109.21
    2008[11]11.4216.523.1572.932.51126.51
    2009[119]6.824.8915.0334.3580.881.19163.14
    2010[120]67.2246.612.3847.45111.58285.23
    2011[121]219.5289.268.7751.5493.419.614.24486.34
    2012[122]451.62130.1316.9434.2115.947.20696.00
    2013[122]758.72150.7930.8418.6118.82977.78
    2014[123]1,004.68191.4335.137.915.751,244.90
    এই স্মার্টফোন আজকাল মানুষের একটি অবিচ্ছেদ্দ অংশ হয়ে গেছে। এর কারন স্মার্টফোন এ বর্তমানে এমন সব ফিচার এবং অ্যাপ্লিকেশান রয়েছে যা আমাদের প্রতিনিয়ত কাজে লাগে। আমরা এই স্মার্টফোন দ্বারা কথোপকথন, ভিডিও চ্যাট, ছবি তোলা, সোশ্যাল নেটওয়ার্ক, ইন্টারনেট, মেইল, জিপিএস ট্র্যাকিং, কম্পাস ইত্যাদি এছারাও বিভিন্ন সেন্সর দ্বারা চালিত বিভিন্ন টুলস ইত্যাদি এর মাধ্যমে এটি আমাদের কাছে প্রয়োজনীয় থেকে প্রয়োজনীয়তর হয়ে উটছে। আজকাল কিছু দামি ফোনে বাতাশের চাপ ও হৃদস্পন্দন পরিমাপক ও সিকিউরিটি সেন্সর দেয়া হয়। 
    আমাদের মনুষ্য সমাজে এর কদর দিন দিন বাড়ছে, যেমন Facebook, Twitter এর মত সোশ্যাল নেটওয়ার্ক এ প্রায় সারাদিন ব্যয় করছে বেশির ভাগ মানুষ। এছারাও এর নানাবিধ ব্যবহার মানুষকে দিন দিন এর প্রয়জনীয়তা জানান দেয়।
  • ইন্টারনেট কানেকশন ছাড়াই আপডেট করুন যে কোন অ্যান্টিভাইরাস

    কম্পিউটারে সিকিউরিটি আজকের দিনে প্রধান একটা ইস্যু। তেমনি ইন্টারনেটে প্রাইভেসিও বড় একটা ইস্যু। আমরা সাধারণত সিকিউরিটি ও প্রাইভেসি সুরক্ষার দায়িত্ব অ্যাটিভাইরাস সফটওয়্যারের ওপর চাপিয়ে দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকার ভান ধরি। ধরুন আপনি একটি অ্যান্টিভাইরাস ইউজ করেন সেটা পেইড হোক আর ফ্রি হোক কিংবা যাইহোক। সাধারণত আপনার অ্যান্টিভাইরাস সফটওয়্যারটি প্রতি কয়েক মিনিট অন্তর অন্তর আপডেট হয়ে থাকে।
    আপনি নিশ্চয় অটো আপডেট বন্ধ করে রাখবেন যদি আপনার ইন্টারনেট সীমিত হয়ে থাকে। অটো আপডেট অন রাখলে রেগুলার ইন্টারনেট ব্রাউজ করাও অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে যায় দুর্বল স্পিডের কারণে। এজন্যও হয়ত আনলিমিটেড ইন্টারনেট ইউজ করার পরেও অনেকেই অ্যান্টিভাইরাসের অটো আপডেট বন্ধ করে রাখেন। কিংবা হয়ত আপনার কোন ইন্টারনেট কানেকশনই নেই। কিন্তু এটি বন্ধ করার ফলে আপনি যে হুমকির সম্মুখীন হচ্ছেন সেটি খেয়াল করেছেন? ভাবছেন কিভাবে? তাহলে আপনি পড়তে থাকুন আমি লিখে দিচ্ছি নিচে,
    ধরুন নতুন একটা ভাইরাস বাজারে আসলো যেটি আপনার কাছে থাকা অ্যান্টিভাইরাস জানে না। তাহলে নিমেষেই ঐ ভাইরাস আপনার কম্পইউটার সিস্টেমে হামলা করে বসতে পারে। আপনার সফটওয়্যারটি পেইড হলেও কিছু করা থাকবে না এক্ষেত্রে। তাহলে সুরক্ষা পাবেন কিভাবে তাইনা? সুরক্ষা পাবার উপায় হল ঐ যে অটো আপডেট অন রাখতে হবে যাতে নতুন ভাইরাস বাজারে আসলেও সেটা সনাক্ত করার টুল আপনার সফটওয়্যার ডেটাবেজে যুক্ত হয়ে যায়।
    কিন্তু আপনার ইন্টারনেট কানেকশন তো সীমিত কিংবা অটো আপডেট অন রাখলে আপনার রেগুলার কাজ করতে প্রবলেম হয়। তাহলে এখন কি করবেন? দুঃচিন্তা করবেন না প্লিজ। উপায় একটা আছে। আর তা হল অফলাইনেই আপডেট করে নেয়া। কি? অফলাইনে আপডেট এটাও কি সম্ভব? জ্বি ভাই এটাও সম্ভব। অধিকাংশ অ্যান্টিভাইরাস কোম্পানিই অফলাইন ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ প্রভাইড করে থাকে যেটা অন্য কারো পিসিতে থাকলে আপনি আপনার পিসিতে নিয়ে ম্যানুয়ালি ইন্সটল করে নিতে পারেন। তো এই টিউনে প্রচলিত ও জনপ্রিয় কয়েকটি অ্যানটিভাইরাস অফলাইনে কিভাবে আপডেট করবেন সেটা দেখানো হল;

    Avast অ্যান্টিভাইরাস

    অ্যাভাস্ট সাধারণত প্রতি ৪ ঘন্টা পর পর অটো আপডেট নেয় তাদের ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ আপ টু ডেট রাখতে। আপনি কোন ভার্সন ব্যবহার করেন সেটা দেখে কাঙ্খিত ইন্সটলারটি ডাউনলোড করে ভাইরাস ডেটাবেজ আপডেট করে নিন। এজন্য আপনার মূল অ্যান্টিভাইরাস রিইনস্টল করার দরকার হবে না। ডাউনলোড করতে নিচের ডাউনলোড বাটনে ক্লিক করুন।

    AVG পেইড অ্যান্টিভাইরাস

    AVG পেইড ও ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের জন্য আলাদা আলাদা আপডেট টুল রয়েছে। তবে অফলাইনে ইন্সটল করার সিস্টেম একই। আফলাইনে আপডেট করতে প্রথমে নিচের ছবিতে ক্লিক করে বিন ফাইল ডাউনলোড করে নিন। তারপর অ্যান্টিভাইরাস ওপেন করে অপশন মেনু থেকে আপডেট ডিরেক্টরিতে যান। তারপর রিকুয়েস্টার ডায়ালগে বিন ফাইলটি দেখিয়ে দিন।

    AVG ফ্রি অ্যান্টিভাইরাস

    আফলাইনে আপডেট করতে প্রথমে নিচের ছবিতে ক্লিক করে বিন ফাইল ডাউনলোড করে নিন। তারপর অ্যান্টিভাইরাস ওপেন করে অপশন মেনু থেকে আপডেট ডিরেক্টরিতে যান। তারপর রিকুয়েস্টার ডায়ালগে বিন ফাইলটি দেখিয়ে দিন। (বর্তমানে তারা শুধু ফ্রি অ্যাটিভাইরাস ডাউনলোডের অপশন রেখেছে। তাই নিচের ডাউনলোড লিংকটি ফ্রি অ্যান্টিভাইরাসের জন্য)

    Avira অ্যান্টিভাইরাস

    অ্যাভিরাতে আপনি ভাইরাস ডেটাবেজ ডাউনলোড করতে পারবেন না। তাহলে এখন কি করবেন? থামেন! দুঃচিন্তা করতে হবে না। একটা উপায় পাওয়া গেছে তাহল প্রথমে আপনাকে Fusebundle Generator নামক একটি টুল ডাউনলোড করতে হবে (নিচের ফটোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করে নিন)। যেটি দিয়ে আপনি ভাইরাস ডেটাবেজ ডাউনলোড করতে পারবেন। তারপর এটি Zip করে (vdf_fusebundle.zip) ইনস্টলার ফোল্ডারে পেস্ট করে দিন। ফাইলটি অ্যান্টিভাইরাসে ইমপোর্ট করার জন্য প্রোগ্রামে ঢুকে ম্যানুয়াল আপডেটে যান এরপর জিপ ফাইলটি দেখিয়ে দিন। ব্যাস।

    BitDefender অ্যান্টিভাইরাস

    বিট ডিফেন্ডার তাদের ভাইরাস সনাক্তকরণ ডেটাবেজ সপ্তাহে মাত্র ১ বার আপডেট করে। নিচের ফটোতে ক্লিক করে ডাউনলোড করার পর আপনি সেটআপ ইনস্টলার পাবেন যেটি ইনস্টল করলেই অ্যানটিভাইরাস আপডেট হবে। ডাউনলোড করা সময় খেয়াল রাখবেন আপনার পিসি ৩২ বিট নাকি ৬৪ বিট।

    McAfee অ্যান্টিভাইরাস

    এটি আপডেট করা খুবই সহজ। জাস্ট Dat ফাইল ডাউনলোড করুন আর রান করুন। ব্যাস। ডাউনলোড করতে ক্লিক করুন নিচের ফটোতে।
    Panda অ্যান্টিভাইরাসের আপডেটের জন্য আপনার ইউজার নেম ও পাসওয়ার্ড লাগবে। Kasperskyও পান্ডার মতই জটিল। যা একটু অ্যাডভান্স ব্যবহারকারীদের জন্য। তাই টিউনে এটি নিয়ে আলোকপাত করা হল না। এছাড়া ESET NOD32 ও Norman অফ লাইন ডেটাবেজ সরবরাহ করে না। সুতরাং আপনি যদি নন-ইন্টারনেট ইউজারকারী কিংবা স্লো নেট বা সীমিত নেট ইউজার হয়ে থাকেন তাহলে এগুলা এড়িয়ে চলুন।
    পরিশেষে টিউনটির কোন অংশ বুঝতে কিংবা আপনার অ্যান্টিভাইরাসটি আপডেট করতে গিয়ে যদি কোন রকম হ্যারেজমেন্টে পড়েন তাহলে অবশ্যই টিউনমেন্ট করতে ভুলবেন না। আর টিউনটি ভাল লেগে থাকলে শেয়ার করুন আপনার বন্ধুদের সাথে। টেকটিউনসের সাথে মেতে থাকুন প্রযুক্তির সুরে। 🙂
  • Hot Post Wi-Fi / Router হ্যাক করুন খুব সহজে।100% কাজ করবে।

    ★ আজকে আপনাদের সাথে এমন একটি Apps শেয়ার করবো। যা দিয়ে আপনারা খুব সহজে যে কোনো Wifi/Router এর Password পেয়ে যাবেন।
    ★ এটা দিয়ে আপনি আপনার এলাকার সব Router এর Password পেয়ে যাবেন।
    ★ 4 K/m এর মধ্যে যত Router আছে সব গুলোর Password পেয়ে যাবেন। Location সহ।
    ★ কোন রাউটার কোন যায়গায় সব
    details পাবেন।
    ★ তো চলুন কাজে নেমে পরি।
    ★ যা যা করতে হবে
    ১। WiFi Map. apk
    ২। আপনার মোবাইল এর Location On করতে হবে।
    ৩। Google Maps
    ★ প্রথমে Apps টি ডাওনলোড করে ওপেন করুন।
    ★ open করার পর next > Next > Done. Done এ ক্লিক করে একটু Wait করুন।loading হওয়া শেষ হলে। নিচে দেখুন আপনার এলাকায় যত Router আছে সব গুলা Show করবে।
    ★ আমার এখানে একটা পাইছে। ৩ কিলোমিটার দুরে

    ★ এখান আপনি যেটার Password পেতে চান সেটাতে ক্লিক করুন।
    ইনসাআল্লাহ পেয়ে যাবেন

    ★ দেখুন Router টা ৩ কিলোমিটার ধুরে।
    তাও পেয়ে গেছে।
    ★ কাজ শেষ।
    ★ ভুল হলে মাপ করে দিয়েন।
  • Wi-Fi Password হ্যাক করুন বিশ্বের যে কোন পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক।

    ডাউনলোড করুন কিছু অসাধারন প্রোফেশনাল এবং অত্যান্ত শক্তিশালী হ্যাকিং সফটওয়্যার (বাংলা টিউটোরিয়াল সহ), আজকের সফটওয়্যার “Wi-Fi Password Recovary” হ্যাক করুন বিশ্বের যে কোন পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক।






















    শুরুতে জানুন কিছু দরকারী কথা

    আমাদের অনেকের মাঝে একটা বদ্ধমুল ধারনা আছে যে হ্যাকিং জিনিশ টা খুব খারাপ এবং আকামলা দের কাজ। যাদের এই বদ্ধমুল ধারনা তাদের সাথে আমি যুদ্ধ ঘোষনা করছি। প্রত্যেকটা জিনিশেরই একটা ভাল এবং খারাপ দিক আছে। আমরা স্বভাবতই ভাল জিনিশটা জানবো এবং তার সাথে খারাপ দিকটা জানা ভাল কারন ওই জিনিশের খারাপ দিকটা জানতে হবে আমাদের নিরাপত্তার জন্য। একটা উদাহরন দিয়ে বলি, আগে থেকেই হ্যাকিং এর উপর আমার খুব আগ্রহ। টিটিতে আসার আগে আমি হ্যাকিং বিষয়ক কোন কিছুই জানতাম না। পিশিং এর কথাই ধরি। আগে আমি পিশিং সম্পর্কে কিছুই জানতাম না। এখন জানি এবং পিশিং হ্যাক করতে পারি। তাই আগে আমার অ্যাকাউন্ট যে কোন সময় পিশিং হ্যাক হতে পারত কিন্তু এটা এখন সম্ভব না কারন পিশিং URL সম্পর্কে আমার এখন পুর্ণ ধারনা আছে। তাই আমি যদি হ্যাকিং সম্পর্কে কিছুই না জানি তবে নিজেকে কিভাবে রক্ষা করবো? ঠিক এই কারনেই আমাদের দেশি ওয়েবসাইট গুলো প্রতিনিয়ত বিদেশি হ্যাকার দ্বারা আক্রান্ত হয়। আমাদের দুংখ যে আমাদের কিছু প্রফেশনাল ভাল হ্যাকার নাই। ইউরোপ আমেরিকায় লক্ষ লক্ষ ডলার বেতন দিয়ে বিভিন্ন কোম্পানী হ্যাকার রাখে তাদের কোম্পানীর নিরাপত্তার জন্য। তাই আমি মনে করি আমাদের দেশের প্রত্যেকটা ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর হ্যাকিং সম্পর্কে নুন্যতম জ্ঞান থাকা উচিত। তবে হ্যাঁ আমাদের সবাইকে নৈতিকভাবে সবল থাকতে হবে যেন এটির ব্যাড ইউজ না করি। কারো ক্ষতি করার জন্য হ্যাকিং কাজে লাগানো যাবেনা। আসলে যদি ঠিক ঠাক বুঝা যায় তবে হ্যাকিং জিনিশটা অত্যান্ত মজার এবং নেশার মত, একটু জানলে আরো জানতে ইচ্ছা করে। আলমাসের ভাষায় হ্যাকিং কোন বাহাদূরি করার জিনিষ নয় বরং শিক্ষা নেবার জিনিষ। অনেক কথা বললাম, চলুন আর কথা না বাড়িয়ে চলে যাই মুল টিউনে........

    যদি আপনারা চান তবে হ্যাকিং নিয়ে আমি কিছু ধারাবাহিক টিউন করবো। সেই সুবাদে প্রথমে কিছু প্রফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার আপনাদের সাথে শেয়ার করবো। মনে রাখবেন এগুলো প্রফেশনাল হ্যাকারদের তৈরি এবং এর কিছু কিছু খুব শক্তিশালী, এগুলো দিয়ে খুব সহজেই অন্যের পিসির বারোটা বাজানো যায়। না জেনে বেশি Experiment করতে গেলে নিজের পিসির সর্বনাশ হতে সময় লাগবে না। তখন কিন্তু আমাকে দোষ দিতে পারবেন না। আমি আপনাদের সাথে এগুলো শেয়ার করছি জাস্ট আপনাদের জানার জন্য যাতে আপনারা এসব থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারেন।

    “দয়া করে কারো ক্ষতির উদ্দেশ্যে ব্যবহার করবেন না”

    আজ আমি আপনাদের সাথে যে সফটওয়্যারটি শেয়ার করবো তার নাম "Wify Password Recovary"। চলুন প্রথমে জানি,

    ওয়াইফাই কি এবং কিভাবে কাজ করে

    WLAN বা ওয়্যারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক কী:

    একটি সীমিত এলাকা অর্থাৎ একই ভবন, পাশাপাশি অবস্থিত ভবন অথবা একটি অফিস বা এপার্টমেন্টে অবস্থিত কমপিউটারসমূহ, প্রিন্টার ও অন্য কোন বিশেষ ইলেকট্রনিক ডিভাইসের মধ্যে তারের পরিবর্তে রেডিও তরঙ্গের মাধ্যমে স্থাপিত আন্তঃসংযোগ ব্যবস্থাকে ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক (WLAN) বলে।
    উপরের ছবিটি একটি ব্রডব্যান্ড লাইন থেকে একাধিক কমপিউটারে ইন্টারনেট কানেকশনের একটি ওয়ারলেস লোকাল এরিয়া নেটওয়ার্ক। এই ধরনের নেটওয়ার্কে প্রয়োজন একটি মডেম ও একটি ওয়ারলেস রয়টার। যে কোন কমপিউটারে ওয়্যারলেস এডাপটার অথবা ওয়্যারলেস কার্ড ইন্সটল থাকলে এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে ইন্টারনেট কানেকশন শেয়ার করতে পারবে।
    একটি ওয়াইফাই রয়টার/একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে কোন বিশেষ স্থানে যখন ওয়ারলেস ইন্টারনেট কানেকশনের সুবিধা প্রদান করা হয় তখন সেই স্থানকে Hot Spot বলা হয়। একাধিক একসেস পয়েন্ট/এন্টিনার মাধ্যমে সৃষ্ট হটস্পটগুলোকে সমন্বয় করে যখন বড় এলাকা ভিত্তিক একটি ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক তৈরি হয় তখন সেই এলাকাকে Wi-Fi Zone বলা হয়।

    www.kixbd.com

    মোবাইল ব্রডব্যান্ড বনাম ওয়াইফাই হটস্পট:

    মোবাইল ব্রডব্যান্ড সেবা সাধারণত মোবাইল ফোনের কোম্পানীগুলো দিয়ে থাকে। সুতরাং প্রায় সব জায়গা থেকে (মোবাইল ফোন নেটওয়ার্ক) মোবাইল ফোন বা ওয়ারলেস মডেমের সাহায্যে ইন্টারনেটে সংযুক্ত হওয়া যায়। ওয়াইফাই হটস্পটে এই সুযোগ একটি সীমিত এলাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ। ইদানীং বড় বড় শহরের বাস/ট্রেন স্টেশন, শপিং সেন্টার গুরুত্বপূর্ণ এলাকাসমূহে ওয়াইফাই জোন সৃষ্টি করা হচ্ছে। মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিসের মাসিক চার্জ বেশী। এছাড়া একদেশ থেকে অন্য দেশে গেলে মোবাইল ব্রডব্যান্ড সার্ভিস কাজ করে না, যদি কাজ করে তবে চার্জ হয় খুবই বেশী। তাই নিজস্ব ল্যাপটপ বা মোবাইল ফোন থেকে প্রয়োজনীয় সময়ের জন্য ওয়াইফাই হটস্পট থেকে ইন্টারনেট কানেকশন সস্তা। ইদানিং বিভিন্ন শহরের ওয়াইফাই হটস্পটের তালিকা নেটে পাওয়া যায়।

    ওয়াইফাই কনফিগারেশন

    ইদানিং নতুন মডেলের অনেক ল্যাপটপে ওয়াইফাই কার্ড আগে থেকেই ইনস্টল করা থাকে। আর না থাকলে আলাদা ওয়াইফাই এডাপটার/কার্ড কিনতে পাওয়া যায়। কার্ডের সাথে ইনস্টল-কনফিগারেশনের নিয়ম লেখা থাকে। এটা তেমন কঠিন নয়, এডাপটার/কার্ড সংযুক্ত করে কমপিউটার অন করলে অটো-ডিটেক্ট হয়ে কনফিগারেশন উইনডোজ চলে আসে।

    "তথ্য এবং চিত্র সংগ্রেহিত"

    ওয়াইফাই জোন

    কিছু ওয়াইফাই নেটওয়ার্ক জোন থাকে ফ্রি।
    ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে যদি কোন ওয়াইফাই সেবা দেওয়া হয় তবে সেই নেটওয়ার্ক পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড থাকে যাতে ক্লায়েন্ট ছাড়া কেউ ইউজ না করতে পারে। শুধু মাত্র ক্লায়েন্ট তার পাসওয়ার্ড দ্বারা নেটওয়ার্কে অ্যাক্সেস করতে পারে।
    আজকে আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করব এমন একটি প্রোফেশনাল হ্যাকিং সফটওয়্যার যার মাধ্যমে দুনিয়ার তাবৎ পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড ওয়াইফাই নেটওয়ার্কের, পাসওয়ার্ড ক্র্যাক করতে পারবেন এবং বিনা মুল্যে পুরো সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।  কথা না বাড়িয়ে চলে যাই সচিত্র বর্ননায়।

    এটি নিয়ে কাজ করার আগে সবার প্রথমে আপনার পিসির এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করুন।

    এন্টিভাইরাসের প্রোটেকশন পজ বা টোটালি অফ করার কথা বলা হয়েছে এই কারনে, কারন এন্টিভাইরাস এটিকে হারমফুল সফটওয়্যার হিসাবে ডিটেক্ট করবে এবং আপনাকে কাজ করতে দিবেনা।
    তারপর ডাউনলোড করে নিন "Wifi Password Recovary" সফটওয়্যারটি।
    সফটওয়্যারটির বাজার মুল্য  1099$ মানে বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ৭৭০০০ টাকা!!  আর আমি এটি আপনাদের সাথে শেয়ার করছি বিনামুল্যে।
    উপরের সফটওয়্যারটি নিচের নেটওয়ার্ক কার্ড অথবা আডাপ্টার গুলো সাপোর্ট করে সুতরাং কাজ করার আগে মিলিয়ে নিন যে আপনারটার সাথে মিলে কি, না................................

    WI-FI NETWORK CARDS OR ADAPTORS ONE MUST BE;

    • Atheros Wireless Network Adapter (AR5008)
    • Broadcom 802.11n Network Adapter (requires Windows Vista or 7)
    • D-Link DWA-542 RangeBooster N Desktop Adapter
    • D-Link DWA-547 RangeBooster N Desktop Adapter
    • D-Link DWA-552 Xtreme N Desktop Adapter
    • D-Link DWA-556 Xtreme N PCI Express Desktop Adapter
    • D-Link DWA-642 RangeBooster N Notebook Adapter
    • D-Link DWA-643 Xtreme N Notebook ExpressCard Adapter
    • D-Link DWA-645 RangeBooster N 650 Notebook Adapter
    • D-Link DWA-652 Xtreme N Notebook Adapter
    • Dell Wireless 1505 Draft 802.11n WLAN Mini-Card (requires Windows Vista or 7)
    • Dell Wireless 1510 Wireless-N WLAN Mini-Card (requires Windows Vista or 7)
    • Dell Wireless 1515 802.11 Wireless-N Mini-Card (requires Windows Vista or 7)
    • Gigabyte GN-WI03N (mini) PCI WLAN Card
    • Gigabyte GN-WI06N (mini) PCI Express WLAN Card
    • Gigabyte GN-WM02N Express WLAN Card
    • Gigabyte GN-WP02N PCI Express WLAN Card
    • Intel Wireless WiFi Link 4965AGN (requires Windows Vista or 7)
    • Intel Ultimate N WiFi Link 5100 (requires Windows Vista or 7)
    • Intel WiMAX/WiFi Link 5150 (requires Windows Vista or 7)
    • Intel Ultimate N WiFi Link 5300 (requires Windows Vista or 7)
    • Intel WiMAX/WiFi Link 5350 (requires Windows Vista or 7)
    • Linksys Dual-Band ExpressCard WEC600N (requires Windows Vista or 7)
    • Linksys Dual Band USB Adapter WUSB600N (requires Windows Vista or 7)
    • NEC AtermWL300NC (PA-WL300NC) Wireless Network Adapter
    • Realtek RTL8192E Wireless LAN 802.11n PCI-E NIC (requires Windows Vista or 7)
    • TP-Link TL-WN910N Wireless N Cardbus Adapter
    • CACE Technologies AirPcap Nx USB Adapter
    • 3Com OfficeConnect Wireless a/b/g PC Card (3CRWE154A72)
    • Atheros Wireless Network Adapter (AR5001 through AR5007)
    • Broadcom 802.11g, b/g, a/b/g Network Adapter (requires Windows Vista or 7)
    • Cisco Aironet 802.11a/b/g Wireless Cardbus Adapter
    • D-Link WNA-2330 RangeBooster G Notebook Adapter
    • D-Link AirPremier DWL-G680 Wireless Cardbus Adapter
    • D-Link AirPremier DWL-AG660 Wireless Cardbus Adapter
    • D-Link AirPremier DWL-AG530 Wireless PCI Adapter
    • D-Link AirXpert DWL-AG650 Wireless Cardbus Adapter
    • D-Link AirXpert DWL-AG520 Wireless PCI Adapter
    • D-Link AirPlus G DWL-G630 Wireless Cardbus Adapter (Rev. C, Rev. D)
    • D-Link AirPlus Xtreme G DWL-G520 Adapter
    • D-Link AirPlus Xtreme G DWL-G650 Adapter
    • D-Link Wireless 108G DWA-120 USB Adapter (requires Windows Vista or 7)
    • Dell Wireless 1390 WLAN Mini-Card (requires Windows Vista or 7)
    • Dell Wireless 1395 WLAN Mini-Card (requires Windows Vista or 7)
    • Dell Wireless 1397 WLAN Mini-Card (requires Windows Vista or 7)
    • Gigabyte GN-WI01GT (mini) PCI-E WLAN Card
    • Gigabyte GN-WI01HT (mini) PCI WLAN Card
    • Gigabyte GN-WI07HT (mini) PCI-E WLAN Card
    • Gigabyte GN-WIAG/GN-WPEAG (mini) PCI WLAN Card
    • Gigabyte GN-WIAH (mini) PCI WLAN Card
    • Gigabyte GN-WLMA102 Cardbus WLAN Card
    • Gigabyte GN-WM01GT Cardbus WLAN Card
    • Gigabyte GN-WMAG Cardbus WLAN Card
    • Gigabyte GN-WP01GT (mini) PCI WLAN Card
    • Intel PRO/Wireless 3945ABG Network Connection (requires Windows Vista or 7)
    • LinkSys WPC55AG Dual-Band Wireless A+G Notebook Adapter
    • NETGEAR WAG511 802.11a/b/g Dual Band Wireless PC Card
    • NETGEAR WG511T 108 Mbps Wireless PC Card
    • NETGEAR WG511U 54AG+ Wireless PC Card
    • NETGEAR WG511U Double 108 Mbps Wireless PC Card
    • NETGEAR WPN311 RangeMax Wireless PCI Adapter
    • NETGEAR WPN511 RangeMax Wireless PC Card
    • Proxim ORiNOCO 802.11a/g ComboCard Gold 8480
    • Proxim ORiNOCO 802.11a/g ComboCard Silver 8481
    • Proxim ORiNOCO 802.11a/g PCI Adapter 8482
    • Proxim ORiNOCO 802.11b/g ComboCard Gold 8470
    • Proxim ORiNOCO 802.11b/g ComboCard Silver 8471
    • SMC 2336W-AG v2 Universal Wireless Cardbus Adapter
    • TRENDnet TEW-501PC 108Mbps 802.11a/g Wireless CardBus PC Card
    • Ubiquiti Networks SRC Wireless Network Adapter
    • CACE Technologies AirPcap Ex USB Adapter


    ১. প্রথমে সফটওয়্যারটি ইন্সটল করুন এবং রান করান। প্রয়োজনীয় ড্রাইভার ইন্সটল করুন।
    ২. "Rules" Tab এ যান এবং "Enable advanced rules" এ টিক দিন।
    ৩. "Formula" বক্সে নিচের কোডটি পেস্ট করুন, "tods=1 and dmac=FF:FF:FF:FF:FF:FF" (চিত্রের মত) এবং "Name" বক্সে টাইপ করুন "a" (চিত্রের মত)। তারপর "Add/Edit" ক্লিক করুন।
    ৪. উপরের মত উইন্ডো আসবে। চিত্রের মত "a" তে টিক দিন।
    ৫. এবার "Settings" এ গিয়ে "option" ক্লিক করুন।
    ৬. "Memory Usages" Tab এ যান এবং হুবহু চিত্রের মত করে সেটিং করে Ok করুন। (maximum packets in buffer ২০০০০ করে দিন)  (যদি রিস্টার্ট চায়,  রিস্টার্ট করুন, মানে প্রোগ্রাম টি ক্লোজ করে আবার চালু করুন)।

    ৭. ডান দিকে উপরে তিনটি ফানেল দেখা যাচ্ছে, D লেখা প্রথম ফানেলটি চেক করে বাকি দুটি আনচেক করুন।
    ৮. তারপর Search বাটনটি ক্লিক করুন এবং যে নেটওয়ার্ক টি ক্র্যাক করতে চান তা খুজে বের করুন।
    ৯. তারপর তা "Channels" Tab এ ড্র্যাগ করে সিলেক্ট করুন এবং চিত্রানুযায়ী  Capture বাটন ক্লিক করুন।
    ১০. এখন অন্য যে এডাপ্টার যেটি কোন কিছু Capture করছে না সেটি দিয়ে পাসওয়ার্ড প্রোটেক্টেড নেটওয়ার্কে কানেক্ট করুন, যখন পাসওয়ার্ড চাইবে তখন আপনার ইচ্ছামত কিছু যেমন 123456 দিয়ে দিন।
    ১১. তখন এই মেসেজ দেখাবে "Connected with limited connectivity" ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না)
    ১২. পুনরায় মেইন মেনুতে যান এবং "Packets" Tab এ যান, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে,  উপরের চিত্রের মত কিছু Packet এর Couple দেখতে পারবেন।
    ১৩. “ARP REQ” নামের Packet এ রাইট ক্লিক করুন তারপর "Send Packet(s)" এ গিয়ে Selected ক্লিক করুন।
    ১৪. উপরের মত একটি মেনু আসবে।
    ১৫. এখন চিত্রের মত Value গুলি চেঞ্জ করুন। তারপর "Send" বাটন ক্লিক করুন।
    ১৬. পুনরায় মেইন মেনুর "Rules" Tab এ যান এবং আপনার তৈরিকৃত Rule টি আনচেক করুন।
    ১৭. প্রথম ২০০০০ Packet সিলেক্ট করুন এবং Save করুন। অবশ্যই মনে রাখবেন যে কথায় এটি সেভ করেছেন। "Save as" করার সময় "ncf" ফাইলের পরিবর্তে "dump cap" ফাইল হিসাবে সেভ করুন। ( আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় ২০০০০ Packet এর লিস্ট দেখাতে পারলাম না)
    ১৮. এখান থেকে Aircrack-NG জিপ ফোল্ডারটি নামিয়ে নিন। এবং Extract করুন।
    ১৯. bin ফোল্ডারে যান এবং aircrack-ng-GUI.exe ফাইলটি চালু করুন। তারপর যে Packet গুলো সেভ করেছিলেন সেগুলো ওপেন করে সিলেক্ট করুন এবং launch বাটন ক্লিক করুন।
    ২০. একটি IV এর লিস্ট দেখতে পাবেন তারপর যে নেটওয়ার্ক ক্র্যাক করতে চান সেটি সিলেক্ট করুন।
    ২১. Connected ক্লিক করুন, যাদুর মত connected হয়ে যাবেন আপনার কাংখিত নেটওয়ার্কে।

    **আমার পিসিতে ওয়াইফাই কার্ড এবং আমার এলাকায় ওয়াইফাই জোন  নেই বিধায় কিছু স্ক্রীনশট দেখাতে পারলাম না।

    এটির সাহায্যে আর যেসব কাজ করতে পারবেন..............................
    আমি মোটামুটি স্ক্রীনশট সহ বাংলা টিউটোরিয়াল টা করলাম । 
    আর আমি এই টিউটোরিয়াল করলাম এই কারনে।  জাতে বাংলাদেশিদের সব দেশের মানুষ ভয় পায়। 
  • WHAT WE DO

    We've been developing corporate tailored services for clients for 30 years.

    CONTACT US

    For enquiries you can contact us in several different ways. Contact details are below.

    kixbd

    • Street :Road Street 00
    • Person :Person
    • Phone :+8801910434379
    • Country :Bangladesh
    • Email :chayan@post.com

    Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua.

    Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipisicing elit, sed do eiusmod tempor incididunt ut labore et dolore magna aliqua. Ut enim ad minim veniam, quis nostrud exercitation.