• ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে চান ! প্রতারিত হওয়ার আগেই জেনে নিন হোস্টিং ডোমেইন এর বিস্তারিত।

    ওয়েবসাইট ডেভেলপ করতে চান ! প্রতারিত হওয়ার আগেই জেনে নিন হোস্টিং ডোমেইন এর বিস্তারিত।

    ডোমেইনঃ (Domain)

    যে কোন রকমের ওয়েব সাইট তৈরি করতে গেলে আপনার প্রথম যে জিনিসটা লাগবে সেটা হলো একটা ডোমেইন এড্রেস কেনা । ডোমেইন হলো একটা নাম যে নামটা দিয়ে আপনার ক্লায়েন্ট অথবা টার্গেট ভিজিটর রা আপনাকে খুজে পাবে । যেমন www.facebook.com,www.google.com

    ডোমেইন নেয়ার ক্ষেত্রে লক্ষ্যনীয়ঃ

    ক. ডোমেইন রেপুটেটেড/ বিশ্বস্ত যে কোন প্রোভাইডার থেকে নিতে পারেন । তবে ব্যক্তিগতভাবে GoDaddy থেকে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন করতে আমি নিষেধ করবো । কেননা , তাদের বিরুদ্ধে ডোমেইন হাইজ্যাক এর মত অভিযোগ আছে ।
    খ. ডোমেইন যত ছোট সম্ভব নেয়া বেটার । এতে আপনার ভিজিটরদের আপনার সাইট এর নাম মনে রাখতে সহজ হবে ।
    গ. বর্তমানে বাংলাদেশে অনেক রেপুটেটেড প্রোভাইডার আছেন , যাদের কাছ থেকে নিতে পারেন । তবে ডোমেইন এর সাধারন প্রাইস ৭০০-৯০০ এর ভিতর বা around 10$ এর মধ্যে থাকে । কেউ যদি ১০০-৩০০ টাকায় ডোমেইন সেল এর কথা বলে , তাদের কাছ থেকে নিলে ঠকবেন
    ঘ. অবশ্যিই ডোমেইন এর কন্ট্রল প্যানেল নিজের কাছে নিবেন । কন্ট্রল প্যানেল দিতে পারবে না এমন প্রোভাইডার এর উদ্দেশ্য অসৎ ।

    তবে যতই ডোমেইন এর কন্ট্রল প্যানেল নিন না কেনো আল্টিমেট কন্ট্রল সব সময় আপনার প্রোভাইডার এর কাছেই থাকবে । এবং যে জন্য সে আপনি পাসোয়ার্ড ভুলে গেলে রিসেট বা যে কোন কিছুই করতে পারবে । তাই বিশ্বস্ত / রেপুটেটেড কোম্পানির বিকল্প নেই ।
    ওয়েব হোস্টিংঃ (Web Hosting)

    হোস্টিং ও যে কোন দেশি বিদেশি প্রোভাইডার এর থেকে নিতে পারেন । দেশে অনেক গুলা প্রোভাইডার আছে আর বিদেশেও বেশ কিছু ভালো প্রোভাইডার আছে । তবে কত জিবি স্পেস নিতে হবে বা কত জিবি ব্যান্ডুইথ নিতে হবে এর সঠিক হিসেব আসলে সাইট অনলাইন বা ভিজিটর আশা না শুরু করলে বুঝা কষ্টকর ।
    তবে,

    ক. প্রথমে ১-২ জিবি স্পেস এবং ৫-১০ জিবি ব্যান্ডুইথ এর শেয়ার্ড হোস্টিং নিয়ে শুরু করতে পারেন । একটা সাইট বিল্ড এবং স্টার্ট করতে এর বেশি লাগে না । এখন স্পেস এর ব্যপার টা ডিপেন্ড করবে আপনার সাইট এর কন্টেন্ট এর উপর। আপনি যদি হাই রেজ্যুলেশন এর প্রোডাক্ট ফোটো এবং বেশি প্রোডাক্ট ফোটো ব্যবহার করতে চান তাহলে আপনার স্পেস বেশি লাগবে । বা আপনি যদি সাইট এ আরো কিছু সুবিধা দিতে চান সেক্ষেত্রেও স্পেস বেশি লাগবে । মনে রাখা ভালো Text এর জন্য খুব বেশি স্পেস নেয় না । এবং ওয়ার্ডপ্রেস বা কোন সি এম এস দিয়ে সাইট করতে চাইলে স্পেস একটু বেশি লাগে তা ৩০০-৪০০ মেগাবাইট এর বেশি নয় । তাহলে আপনার স্পেস লাগবে শুধু মাত্র কন্টেন্ট এর জন্যই ।

    “ওয়েব স্পেসঃ আপনার ওয়েব সাইট এ যে সকল ছবি বা লেখা বা ভিডিও দেখবে ভিজিটর রা এই সব রাখার জন্য একটা স্পেস লাগে । ধরুন আপনি যদি আপনার কম্পিউটার এ ১ টা মুভি রাখেন তাহলে তার জন্য দরকার পরবে নির্দিষ্ট ফ্রী হার্ডিক্স । ধরুন আপনার মুভির সাইজ ৭০০ MB. তাহলে আপনার কম্পিউটারে সেই পরিমান জায়গা ফ্রী থাকলেই আপনি মুভিটা রাখতে পারবেন ।

    ওয়েব সাইট এর কন্টেন্ট ও এই রকম একটা স্পেস এ রাখা থাকে যাকে বলে হোস্টীং স্পেস । এটা সাধারনত ১ জিবি থেকে কয়েক টেরাবাইট পর্যন্ত হতে পারে ।

    ব্যান্ডুইথঃ ব্যান্ডুইথ হলো আপনার হোস্টিং থেকে আপনার ওয়েব সাইট এর মাধ্যমে কি পরিমান ডাটা ট্রান্সফার হবে ।
    আমরা ওয়েব সাইট কিভাবে ব্রাউজার দিয়ে দেখি ?
    নির্দিষ্ট ওয়েব সাইট লিঙ্ক থেকে আপনার কম্পিউটার এর ব্রাউজার সেই ওয়েব সাইট টী যে হোস্টীং এ আছে সেই হোস্টিং এর নির্দিষ্ট পেইজ বা ফাইল টি আপনার ব্রাউজার সফল ভাবে ডাওনলোড করতে পারলেই আপনার মনিটরে ওয়েব পেজ টা ভেসে উঠে ।
    এখন ধরুন আপনার ওয়েব সাইট এর প্রথম পেইজ হচ্ছে ১ মেগাবাইট ।

    তাহলে আমি যদি আপনার ওয়েব সাইট এর প্রথম পেইজ ব্রাউজ করতে যাই আমার কম্পিউটার থেকে তাহলে ঐ ১ মেগাবাইট আমার ব্রাউজারে দিয়ে ডাওনলোড হবে এবং আপনার হোস্টীং থেকে ১ মেগাবাইট ডাটা ট্রান্সফার হলো । তার মানে আপনার হোস্টিং এ যদি ১০ জিবি ব্যান্ডুইথ লিমিট থাকে, তাহলে সেখান থেকে ১ মেগাবাইট খরচ হল ।”

    যদি ১০২৪ জন ভিজিটর আলাদা আলাদা কম্পিটারে আপনার সাইট এর প্রথম পেইজ ব্রাউজ করে তাহলে আপনার ব্যান্ডুউইথ খরচ/ট্র্যান্সফার হবে ১০২৪ মেগাবাইট অর্থাৎ ১ GB . ব্যান্ডুইথ প্রতিমাস হিসেবে হিসেব করা হয় এবং প্রতিমাসে রিসেট হয় । মানে লিমিট যদি ১০ জিবি ব্যান্ডুইথ হয় তাহলে প্রতিমাসে আপনি ১০ জিবি করে পাবেন ।

    খ. শেয়ার্ড হোস্টিং হলো কম ভিজিটর এবং লাইট সাইট এর জন্য বেস্ট । টাকা কম লাগে হোস্টিং স্পেস কিনতে । তবে আপনার কখন শেয়ার্ড এ স্পেস বাড়াতে হবে এবং কখন ভিপিএস ( ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার ) মুভ করতে হবে , কখন ডেডিকেটেড সার্ভার এ মুভ করতে হবে সেটা আপনি ই বুঝতে পারবেন বা আপনার প্রোভাইডার আপনাকে বলে দিবে , যে তারা আপনার সাইট শেয়ার্ড এ রাখতে পারবে না বা ভি পি এস এ রাখতে পারবে না ।

    গ. আমি যে কারনে দেশি প্রোভাইডার সাপোর্ট করবো সেটা হলো , বিদেশি প্রোভাইডার তাদের TOS ( term of Service ) ব্রেক হলে আপনাকে না জানিয়ে আপনার সাইট টার্মিনেটও করে দিতে পারে ( যদিও এটা খুবি কম ঘটে ) তবে দেশি প্রোভাইডার হলে আপনি স্টার্টিং এবং কম জানলে সেক্ষেত্রে প্রোভাইডার এর সাথে সরাসরি ফোন বা সরাসরি কথা বলে ডিসিশন নিতে পারবেন এবং প্রয়োজনে ভিপিএস এ মুভ বা ssl ইমপ্লিমেন্ট এ সরাসরি সহযোগিতা পাবেন ।
    তবে চুড়ান্ত ইচ্ছা আপনার আপনি বিদেশি প্রোভাইডার ভালো মনে করলে বিদেশি প্রোভাইডার এর থেকেই হোস্টিং নিবেন । এক্ষেত্রে আপনার ওয়েব ডিজাইনার বা আইটি এক্সপার্ট আপনাকে সাহায্য করবে ( যেহেতু আমি ধরে নিচ্ছি আপনি এই সব ব্যপার এ একদমি জানেন না )
    ঘ. হোস্টীং এর ক্ষেত্রে প্রোভাইডার এর ব্যকাপ সার্ভিস্টা জেনে নিবেন । আপনার ওয়েব সাইট যে কোন সময় হ্যাক হতেই পারে, সেক্ষেত্রে আপনার হোস্টিং প্রোভাইডার , সাপ্তাহিক ( weekly ) , মাসিক ( monthly ) এবং প্রতিদিন ( Daily ) ব্যাক আপ নেয় কিনা যেনে নিবেন । এতে আপনার সাইট হ্যাক হলে বা ডাটা ডিলিট করে ফেললে ভুলে , ব্যাক আপ থেকে রিস্টোর করতে পারবেন দ্রুত ।

    তবে অবশ্যই মনে রাখা ভালো , আপনার উচিত হবে ডেইলি না হলেও ৩-৪ দিন পর পর ম্যানুয়ালি একটা ব্যাক আপ নিজের কাছে রাখাটা বেটার । সেক্ষেত্রে আপনি আপনার কম্পিউটার অথবা আরেকটা শেয়ার্ড হোস্টীং নিয়ে সেখানে আপ্লোড করে রাখতে পারেন ।

    হোস্টিং চেঞ্জ বা আপগ্রেড করা লাগতে পারে, আপনার সাইট এ ভিজিটর বেশি হলে, বা আপনার ওয়েব সাইট ভারী হলে, সেক্ষেত্রে সার্ভার এ লোড বেশি পরবে এবং আপনাকে ভিপিএস বা ডেডিকেটেড এ মুভ করা লাগতে পারে ।
    যেমন ওয়ার্ডপ্রেস এর সাইট সাধারনত প্লাগিন এবং আদার্স কারনে একটু ভারী হয় , এবং কাস্টোম সি এম এস ( হ্যান্ড কোডিং করে ওয়েব সাইট করলে ) ওয়েব সাইট হালকা ( Light ) হয় । আবার ওয়ার্ডপ্রেস এর মত সাইট এ প্লাগিন ব্যবহার না করে হ্যান্ড কোডিং করলেও ওয়ার্ডপ্রেস এর সাইট ও হালকা করা যায় একে অপটিমাইজেশন বলে ।

    আশা করি ডোমেইন এবং হোস্টিং নিয়ে আপনাদের কিছুটা হলেও কনফিউশন কমবে । আরো কোন প্রশ্ন বা না বুঝলে কমেন্ট করুন ।
  • 1 comment:

    1. Mr. Bean goes to a swimming pool, where he finds himself scared to death on the high diving board. When he's done, he tries several different ways to get his car out of the parking garage when he doesn't have enough money to do it the normal way. After that, he sits on a park bench and uses an unusual method of making himself a sandwich. Finally, he goes to a movie theater and tries to survive a terrifying horror with his girlfriend.

      https://www.youtube.com/watch?v=tB7DvbodtE0

      ReplyDelete