আপনারা সকলেই সার্ভার কম্পিউটার সম্পর্কে জানেন এবং শুনেছেন; এই কম্পিউটার গুলো অধিক শক্তিশালী এবং অনেক ফাইল আর ওয়েবসাইট হোস্ট করে থাকে। আপনারা এটাও জানেন যে, এই সার্ভার গুলো আপনার বা আমার কম্পিউটারের মতোই ফিজিক্যাল মেশিন হয়ে থাকে যেখানে র্যাম, হার্ডড্রাইভ, প্রসেসর ইত্যাদি রিসোর্স থাকে কিন্তু অধিক স্কেলে। কিন্তু সবসময়ই যে ব্যাপারটা এমন, তা কিন্তু নয়। ভার্চুয়াল সার্ভার নামক টার্মে ব্যাপারটা একটু আলাদা। “ভার্চুয়াল” শব্দটির মানে তো নিশ্চয় জানেনই, যেটার ব্যস্তব অস্তিত্ব তো আছে কিন্তু সেটা ফিজিক্যালি মজুদ নেই। যদি ফিজিক্যালি কোন কম্পিউটার না থাকে তাহলে সেটা কম্পিউটারের ন্যায় আচরণ করে কীভাবে? আজকের আর্টিকেলটিকে সম্পূর্ণ বোঝার জন্য ভার্চুয়াল সার্ভার এবং ভার্চুয়াল মেশিন নিয়ে আলোচনা করা জরুরী, তো চলুন আলোচনায় নেমে পড়া যাক…
ভিপিএস (VPS) হল, ভার্চুয়াল কম্পিউটার বা VPS ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার (virtual private server)। একটা ডেডিকেটেট সার্ভারকে ভার্চুয়ালাইজেশন সফটওয়্যারের মাধ্যমে একাধিক ভাগে ভাগ করে নোড (slice/node) তৈরী করা হয়। এই একেকটা নোড একেকটা ইন্ডিপেন্ডেট সার্ভারের মত কাজ করে। আর একেই ভিপিএস বা ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার বলা হয়।ভিপিএস ডেডিকেটেট সার্ভারের মতই অপারেটিং সিস্টেমে রান হয়ে থাকে, এবং ডেডিকেটেট সার্ভারের ন্যায় ইউজার কন্টোল থাকে, এবং ক্লায়নেট নিজের স্বাধীন মত সফটওয়্যার ইউজ করতে পারে। ভিপিএস সার্ভার ডেডিকেটেড সার্ভারের থেকে প্রাইজ কম হয়ে থাকে। এবং ভিপিএসে যেহেতু একটি ফিজিক্যাল হার্ডওয়ার ভাগ করে ইউজ হয়ে থাকে সেহেতু ভিপিএস এর তুলনায় ডেডিকেটেড সার্ভারের পারফর্মেন্স ভাল হবে। মুলত অধিক রিসোর্স এর অন্য ডেডিকেটেড সার্ভার ইউজ করা হয় এবং অপেক্ষাকৃত কম রিসোর্স এর জন্য ভিপিএস সার্ভার ইউজ কয়া হয়।
ভার্চুয়াল সার্ভার

ফটোতে আরেকটি ফটো; এই উদাহরণটি ভার্চুয়াল সার্ভারের বেস্ট উদাহরণ হতে পারে। আমরা সকলেই জানি, একটি কম্পিউটার বা সার্ভার অবশ্যই একটি ফিজিক্যাল মেশিন, যেখানে র্যাম, প্রসেসর, হার্ডড্রাইভ, মাদারবোর্ড ইত্যাদি বিদ্ধমান থাকে। যখন কোন অপারেটিং সিস্টেম আপনার কম্পিউটারে কাজ করে তখন সেটি আপনার কম্পিউটারের ফিজিক্যাল রিসোর্স ব্যবহার করে কাজ করে। অর্থাৎ কোন অপারেটিং সিস্টেম রান হতে তার র্যাম, প্রসেসর, হার্ডড্রাইভ ইত্যাদির প্রয়োজন পড়ে। কিন্তু ভার্চুয়াল সার্ভারে যদি এসব ফিজিক্যালি না থাকে তাহলে কীভাবে এটি কোন অপারেটিং সিস্টেমকে রান করায়? দেখুন ভার্চুয়াল সার্ভার সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমে আপনার জানতে হবে
ভার্চুয়াল মেশিন সম্পর্কে।
ভার্চুয়াল মেশিন কোন ফিজিক্যাল মেশিন নয়। এটি মূলত এক টুকরা সফটওয়্যার যেটা ভার্চুয়ালি নিজেকে ফিজিক্যাল মেশিনের ন্যায় আচরণ করায়। ধরুন আপনি আপনার উইন্ডোজ কম্পিউটারে ভার্চুয়ালি উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম রান করছেন। ভার্চুয়াল মেশিন রান করার জন্য সফটওয়্যারের প্রয়োজন হয়। এই সফটওয়্যারটি আপনার প্রধান অপারেটিং সিস্টেমের উপর ইন্সটল থেকে এর উপরে আরো অপারেটিং সিস্টেম রান করাতে সাহায্য করে। ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যার আপনার ফিজিক্যাল মেশিনের র্যাম, হার্ডড্রাইভ, প্রসেসর থেকে রিসোর্স গ্রহন করে এবং একটি সম্পূর্ণ আলাদা কম্পিউটারের ন্যায় আচরণ করে। আর যখন কোন সার্ভার কম্পিউটারের ফিজিক্যাল মেশিনে কোন অপারেটিং সিস্টেমের উপর ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যার ইন্সটল করে ভার্চুয়ালি আলাদা সার্ভারের মতো আচরণ করানো হয় তখন সেটাকে ভার্চুয়াল সার্ভার বলা হয় হয়। বিভিন্ন ওয়েব হোস্টিং কোম্পানি এই ভার্চুয়াল সার্ভারের সেবা প্রদান করে থাকে, আর একে আমরা ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার বা ভিপিএস বলেও জানি।
দেখুন কোন নির্দিষ্ট ফিজিক্যাল কম্পিউটারকে কোন নির্দিষ্ট অ্যাপ্লিকেশনের জন্য ব্যবহার করা আদর্শ ব্যাপার, কিন্তু প্রত্যেকটি কাজের জন্য আলাদা আলাদা ফিজিক্যাল কম্পিউটার ব্যবহার করা অনেক ব্যয়বহুলও বটে। কিন্তু এখানে ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যার ইন্সটল করার মাধ্যমে একটি ফিজিক্যাল মেশিনের উপর একাধিক ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি করা যায় এবং প্রত্যেকটি ভার্চুয়াল মেশিন নিজেরা স্বাধীনভাবে একেকটি আলাদা আলাদা কম্পিউটার হিসেবে আচরণ করতে পারে। এর ফলে ফিজিক্যাল কম্পিউটার হার্ডওয়্যার কেনার খরচ বেঁচে যায় এবং কাজের পারফর্মেন্সে কোন পরিবর্তন আসে না। আবার একটি ডেডিকেটেড সার্ভার ভাড়ার চাইতে ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারের ভাড়া অনেক কম হয়ে থাকে।
আপনার নিজের ফিজিক্যাল কম্পিউটারে ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যার ইন্সটল করে একাধিক ভার্চুয়াল কম্পিউটার বানানো আর কোম্পানিদের ভার্চুয়াল সার্ভারের মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। এটি আপনার নিজের মেশিনে করেন বলে এর নাম হয় ভার্চুয়াল মেশিন আর কোম্পানিরা তাদের সার্ভারে এটি করে বলে এর নাম হয় ভার্চুয়াল সার্ভার আর আপনি এটিকে ভাড়া নিয়ে স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারেন বলে এর নাম ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার।
ব্যবহার
একটি ফিজিক্যাল মেশিনের উপর ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি করা এবং প্রত্যেকটি ভার্চুয়াল মেশিনকে স্বাধীনভাবে কাজ করানো; ব্যাপারটা শুনতেই অনেক টেকি মনে হয় তাই না? আসলে এটি অনেক সহজ ব্যাপার আর নিজের ভার্চুয়াল মেশিন তৈরি করতে মাত্র কয়েকটি ক্লিকেরই প্রয়োজন রয়েছে। আর আপনি যদি কোন ভার্চুয়াল সার্ভার কেনার কথা ভাবেন, তবে আপনাকে কিছুই করতে হবে না, সবকিছু একদম রেডিমেডই পেয়ে যাবেন। তারপরে আপনি সেই সার্ভার কাজে লাগিয়ে আপনার অনেক অ্যাপ্লিকেশন এবং অনেক ধরনের ব্যাবহারে কাজে লাগাতে পারেন। চলুন নিচে এনিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা যাক।
নিজের সার্ভার হোস্ট
ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভারের মাধ্যমে আপনি নিজের কোন অ্যাপ্লিকেশন হোস্ট করার মাধ্যমে নিজের সার্ভার হোস্ট করতে পারবেন। হতে পারে আপনি কোন গেম তৈরি করে তার সার্ভার হিসেবে ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার ব্যবহার করতে পারেন। আবার আপনার যেকোনো কাজের ফাইলস, মিউজিক, ভিডিওস, ইত্যাদি নিরাপদে আপনার সার্ভারে হোস্ট করতে পারেন। সাধারনভাবে বলতে গেলে আপনি আপনার কম্পিউটারের সাথে যা যা করতে পারবেন একটি ভার্চুয়াল সার্ভারের সাথেও সেটা করা সম্ভব। অনেক হাই কনফিগার সার্ভার অনেক কম ভাড়াতে পাওয়া যায় আজকাল। আপনার যদি একটি ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার থেকে তাহলে আপনার নিজের ফিজিক্যাল কম্পিউটারকে এতো হাই কনফিগার হওয়ারও প্রয়োজন নেই।
আপনি সার্ভারে উইন্ডোজ অপারেটিং সিস্টেম ইন্সটল করে সেটাকে ফিজিক্যাল পিসির মতোই ব্যবহার করতে পারবেন। সেখানে ভিডিও এডিট করতে পারেন, ফটো এডিট করতে পারে এবং যেকোনো অ্যাপ্লিকেশন রান করাতে পারেন। সার্ভারে করা যেকোনো কাজের প্রসেস আপনার কম্পিউটারে হবে না, বরং সেগুলো হবে আপনার সার্ভার কম্পিউটারে কিন্তু আপনি ইচ্ছা মতো সেই কম্পিউটারকে অপারেট করতে পারবেন। আপনি চাইলে সার্ভারে গেমিংও করতে পারেন। নিশ্চয় জানেন যে একটি ভালো গেমিং কম্পিউটার বানাতে কতো টাকা খরচ হতে পারে, কিন্তু মাসে মাত্র কয়েক হাজার টাকা ভাড়া দিয়ে আপনার বর্তমান কম্পিউটারেই ভার্চুয়াল সার্ভার ব্যবহার করে হাই এন্ড সব গেম রান করা যাবে। আর মজার ব্যাপার হলো কোন গেম ইন্সটল করতে বা ডাউনলোড করতে আপনার নিজের কোন ইন্টারনেট খরচ হবে না, সার্ভার থেকে ইন্টারনেট ডাটা খরচ হবে। শুধু কম্পিউটার থেকে নয়, আজকাল তো স্মার্টফোন থেকেও সার্ভার ব্যবহার করা এবং অপারেট করা যায়। তাই আপনি চাইলে আপনার ফোন থেকেই সার্ভার ব্যবহার করে পিসি গেম খেলেতে পারবেন।
তাছাড়া ভার্চুয়াল সার্ভারে আপনি যেকোনো অপারেটিং সিস্টেম বা যেকোনো সফটওয়্যার টেস্ট করার জন্য ইন্সটল করতে পারবেন। আপনার ওয়েবসাইটের জন্য ফাইল হোস্ট করতে পারবেন। সার্ভার থেকে আপনি ইন্টারনেটও ব্রাউজিং করতে পারবেন। সার্ভারের সাথে সংযুক্ত থাকা ইন্টারনেট কানেকশন অনেক হাই স্পীড হয়ে থাকে, তাই আপনি ফিজিক্যাল পিসির নেট স্লো হলেও আপনার যদি হাই স্পীড ইন্টারনেট কানেকশনের প্রয়োজন পড়ে আপনি সেটা ভার্চুয়াল সার্ভার ব্যবহার করে মেটাতে পারেন।
নিজের ওয়েবসাইট

নিজের ওয়েবসাইট তৈরি ক্ষেত্রে এবং সাইটকে হোস্ট করার জন্য অবশ্যই সার্ভার প্রয়োজনীয়। আপনার নিজের ফিজিক্যাল পিসিতেও ওয়েবসাইট হোস্ট করা যেতে পারে কিন্তু সেটা আমি রিকমেন্ড করি না, কেন করি না সে ব্যাপার নিয়ে
দ্যা ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েব এবং
ওয়েব সার্ভার নিয়ে লেখা আর্টিকেলে আলোচনা করেছি। এখন কোন হোস্টিং কোম্পানি থেকে ওয়েবসাইট হোস্ট করার সময় মূলত তিনটি অপশন পাওয়া যায়,
ডেডিকেটেড সার্ভার,
শেয়ার্ড সার্ভার, এবং
ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার।
ডেডিকেটেড সার্ভার হলো আপনার সম্পূর্ণ পার্সোনাল সার্ভার যেটা একটি সম্পূর্ণ ফিজিক্যাল কম্পিউটার। আর যখন আপনি কোন কোম্পানি থেকে সম্পূর্ণ ফিজিক্যাল মেশিন ভাড়া করবেন, নিশ্চয় সেটার দামও অনেক বেশি হবে। হ্যাঁ অনেক বড় অ্যাপ্লিকেশন বা বড় ওয়েবসাইট যেখানে অনেক ট্র্যাফিক আসে সেটা হোস্ট করতে অনেক শক্তিশালী সার্ভারের দরকার পড়ে কিন্তু নতুন বা মধ্যম মাপের সাইটের জন্য ডেডিকেটেড সার্ভার ব্যবহার করা প্রচণ্ড ব্যয়বহুল। এখানে আরেকটি অপশন থেকে যেটা শেয়ার্ড সার্ভার; কিন্তু এটা সেই সার্ভার নয় যেটা শুধু একমাত্র আপনি নিজে ব্যবহার করছেন। একটি শেয়ার্ড সার্ভারে একসাথে কয়েক হাজার সাইট হোস্ট থাকতে পারে। আর কোন সাইটের কারণে সার্ভার ডাউন হয়ে গেলে আপনার ওয়েবসাইটিও বন্ধ হয়ে যেতে পারে। তাই শেয়ার্ড সার্ভারও রেকমেন্ডেড নয়। তাই আপনি যদি বিগেনার হন বা মধ্যম মাপের কোন ওয়েবসাইট হোস্ট করতে চান, ভার্চুয়াল সার্ভার আপনার জন্য উত্তম হতে পারে। একে তো এর দাম কম এবং দ্বিতীয়ত আপনি একে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে স্বাধীনভাবে ব্যবহার করতে পারবেন। অন্য কারো হোস্ট করা অ্যাপ্লিকেশন বা ওয়েবসাইটের জন্য আপনার সার্ভারের বা সার্ভিসের কোন সমস্যা হবে না। আপনার সার্ভারটির ফিজিক্যাল মেশিনে আরো সার্ভার ইন্সটল করা থাকলেও, আপনি আপনার সার্ভারকে প্রাইভেট ভাবে ব্যবহার করতে পারবেন।
এক কথায়
তাহলে আমরা ভার্চুয়াল সার্ভার বলতে কি বুঝলাম; এটি মূলত একটি ফিজিক্যাল সার্ভার মেশিনের উপর ইন্সটল থাকা আরেকটি বা একাধিক সার্ভার যেগুলো ইন্সটল তো থাকে একই মেশিনে কিন্তু প্রত্যেকে আলাদা আলাদা কম্পিউটারের ন্যায় আচরণ করে। ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যার ইন্সটল করে আমরা নিজেদের পিসিকে আরো অনেক ভার্চুয়াল পিসিতে বিভক্ত করতে পারি এবং অনেক কমদামে ভার্চুয়াল সার্ভার ভাড়া নিয়ে এতে ফাইল হোস্ট, প্রাইভেট ইউজ, ওয়েবসাইট হোস্ট, ওএস টেস্টিং ইত্যাদি করা যায়। আর শুধু কম্পিউটার থেকে নয় বরং স্মার্টফোন থেকেও ভার্চুয়াল প্রাইভেট সার্ভার রান করানো যায়।
VPS হোস্টিং এর কিছু সুবিধা নিচে দিলামঃ
1. Servers are Lighthttpd powered, your WordPress sites and Joomla sites with Ajax will run 10 times faster than Apache servers.
2. All business class hosting supported. Like PTC/E-Commerce Etc.
3. All hosting features, plugins are installed.
4. 100% Uptime (SLA) you will get.
5. 10 different language supported. Including Chinese as well..! Not open-source which only have 3 language.
6. Unlimited hosting facilities.
7. SSL installation facilities with dedicated IP.
8. You can also use that as your backup server.
VPS হোলো Virtual Private Server. অল্প টাকায় নিজের একটা server. আপনার যদি অনেক user/traffic থাকে কিংবা নিরাপত্তা সমস্যা থাকে তবে VPS হতে পারে ভালো সমাধান। যে হারে hacking চলছে তাতে VPS ই ভালো সমাধান। নিজের নিয়ন্ত্রণে থাকবে সব কিছু।
আপনি চাইলে সার্ভিস ও নিতে পারবেন । আমি বাংলাদেশ এর একটি VPS Provider এর নাম বলবো খুব ভাল সার্ভিস দেয় Fog Hosting (এরা Email Marketing এর জন্য VPS দেয় with 16 ips)
অথবা আপনি চাইলে বাহিরের সার্ভিস ও নিতে পারবেন যেমন
Hostgator ,
Godaddy (এরা email marketing এর জন্য VPS দেয় না
আপনি কি কখনো ভিপিএস ব্যবহার করেছেন? করে থাকলে, আপনার অভিজ্ঞতা নিচে কমেন্টে আমাদের সাথে শেয়ার করুন….।
ওয়েব সাইট বানাতে চাইলে ফোন দিন- 01777889680
0 মন্তব্য(গুলি):
Post a Comment